ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সাজেক অবরোধ: পাঁচ দাবির চারটিতে সমঝোতা, দ্রুত অবরোধ তোলার আশা Logo বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস Logo আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশি কর্মীরা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী Logo ভারতের ম্যাচের দিন আইপিএল নিলাম Logo রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বেড়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা Logo রেলের ৩ হাজার একর জমি বেদখলে, সংসদীয় কমিটিতে তথ্য Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বেরোবি সাংবাদিক সমিতির এক যুগপূর্তি উদযাপন Logo প্রযুক্তি, কৃষি ও হালকা প্রকৌশল খাতে জাপানি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ Logo চুক্তিতে অর্থসচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান মজুমদার Logo ভারমুক্ত হয়ে এনবিআরের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ছয় জাহাজ এলএনজি কেনা হচ্ছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের জ্বালানি খাতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই দীর্ঘমেয়াদী ও স্পট মার্কেটভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই ছয় জাহাজ এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রচলিত জাপান-কোরিয়া মার্কার বা জেকেএম সূচকের তুলনায় বেশ কম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জ্বালানি আমদানিতে এই সাশ্রয়ী মূল্য সরকারের আর্থিক সাশ্রয় নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অত্যন্ত লাভজনক এই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি আমদানির এই সিদ্ধান্ত দেশের শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারাকে সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংগ্রহে বৈচিত্র্য আনা এবং সাশ্রয়ী ব্যয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। কাতার ও সিঙ্গাপুরের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের কাছ থেকে এই জ্বালানি আমদানির ফলে দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে এই এলএনজি চালানগুলো দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আমদানীকৃত এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার পর তা বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দেশের শিল্পখাতে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

সাজেক অবরোধ: পাঁচ দাবির চারটিতে সমঝোতা, দ্রুত অবরোধ তোলার আশা

সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ছয় জাহাজ এলএনজি কেনা হচ্ছে

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের জ্বালানি খাতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই দীর্ঘমেয়াদী ও স্পট মার্কেটভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই ছয় জাহাজ এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রচলিত জাপান-কোরিয়া মার্কার বা জেকেএম সূচকের তুলনায় বেশ কম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জ্বালানি আমদানিতে এই সাশ্রয়ী মূল্য সরকারের আর্থিক সাশ্রয় নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অত্যন্ত লাভজনক এই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি আমদানির এই সিদ্ধান্ত দেশের শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারাকে সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংগ্রহে বৈচিত্র্য আনা এবং সাশ্রয়ী ব্যয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। কাতার ও সিঙ্গাপুরের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের কাছ থেকে এই জ্বালানি আমদানির ফলে দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে এই এলএনজি চালানগুলো দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আমদানীকৃত এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার পর তা বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দেশের শিল্পখাতে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।