ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট: নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে বাধা কাটল Logo দুর্গাপূজায় সীমান্তে আড়াই হাজার বিজিবি সদস্য, ৬৬৬ মণ্ডপে নিরাপত্তা Logo বিশ্বায়নের তত্ত্বের আলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Logo বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য চালকদের দক্ষ করে তুলতে হবে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী Logo শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি Logo দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি-এসআরবি-পুলিশ-আনসার, আকাশে হেলিকপ্টার-ড্রোন Logo সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে নারীদের জন্য বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু করল বুরকিনা ফাসো Logo দুর্গাপূজায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সাজেক, সড়ক অবরোধ স্থগিত Logo সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ Logo ‘অবহেলা’য় আবুল হায়াত
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা দুটি রেকর্ড করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের কাছে মামলার নথিপত্র পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন বিরোধী এই সংস্থাটি।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. ফখরুদ্দীন ভূঞা সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এবং গত বছরের শেষ দিকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তাঁর স্ত্রী জাহানারা খানমকে প্রথম মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তিনি ৮৩ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলাটিতে কেবল সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ফখরুদ্দীন ভূঞাকে এককভাবে আসামি করা হয়েছে। দুদকের কাছে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর বৈধ আয় ও পারিবারিক খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৯২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বা অর্জিত সম্পত্তির অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর এই দম্পতিকে তাদের সম্পত্তির বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী তারা গত মার্চ মাসে বিবরণী জমা দিলেও পরবর্তীতে তা যাচাই-বাছাই করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্তের সময় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট: নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে বাধা কাটল

সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ

আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা দুটি রেকর্ড করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের কাছে মামলার নথিপত্র পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন বিরোধী এই সংস্থাটি।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. ফখরুদ্দীন ভূঞা সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এবং গত বছরের শেষ দিকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তাঁর স্ত্রী জাহানারা খানমকে প্রথম মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তিনি ৮৩ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলাটিতে কেবল সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ফখরুদ্দীন ভূঞাকে এককভাবে আসামি করা হয়েছে। দুদকের কাছে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর বৈধ আয় ও পারিবারিক খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৯২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বা অর্জিত সম্পত্তির অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর এই দম্পতিকে তাদের সম্পত্তির বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী তারা গত মার্চ মাসে বিবরণী জমা দিলেও পরবর্তীতে তা যাচাই-বাছাই করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্তের সময় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।