আপডেট সময়
০৮:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ
জাতীয় ডেস্ক: খাগড়াছড়িতে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী, পরিবহন মালিক, চালক এবং সাধারণ স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই প্রতিবাদ জানান। সাম্প্রতিক সময়ে সাজেকে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকায় পাহাড়ি এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রটি পুনরায় উন্মুক্ত করার জোরালো দাবি জানানো হয় বিক্ষোভ থেকে।বিক্ষোভকারীরা জানান, সাজেক ভ্যালির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য এখন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন কুটিরশিল্পের পাশাপাশি যানবাহন চালক এবং মালিকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। পর্যটক না আসায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের দৈনিক আয় ও জীবিকা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং অনেকে বাধ্য হয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।বিক্ষোভ মিছিলটি খাগড়াছড়ি শহরের সাজেক কাউন্টারের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের প্রাণকেন্দ্র শাপলা চত্বরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং পরিবহন খাতের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং পর্যটন শিল্প বাঁচাতে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সাজেকের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতিকে সচল রাখতে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ আসাদ এবং পার্বত্য যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আইয়ুশ চাকমা। বক্তারা বলেন, সাজেকের পর্যটন শিল্প কেবল কিছু ব্যবসায়ীর মুনাফার উৎস নয়, এটি হাজারো শ্রমজীবী মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র মাধ্যম। অবিলম্বে পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করে সাজেকে যাতায়াত স্বাভাবিক করা না হলে স্থানীয় বাসিন্দারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাঁরা।
জাতীয় ডেস্ক: খাগড়াছড়িতে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জোরালো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী, পরিবহন মালিক, চালক এবং সাধারণ স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে এই প্রতিবাদ জানান। সাম্প্রতিক সময়ে সাজেকে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকায় পাহাড়ি এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রটি পুনরায় উন্মুক্ত করার জোরালো দাবি জানানো হয় বিক্ষোভ থেকে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, সাজেক ভ্যালির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য এখন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন কুটিরশিল্পের পাশাপাশি যানবাহন চালক এবং মালিকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। পর্যটক না আসায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের দৈনিক আয় ও জীবিকা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং অনেকে বাধ্য হয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি খাগড়াছড়ি শহরের সাজেক কাউন্টারের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের প্রাণকেন্দ্র শাপলা চত্বরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং পরিবহন খাতের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং পর্যটন শিল্প বাঁচাতে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সাজেকের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতিকে সচল রাখতে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ আসাদ এবং পার্বত্য যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আইয়ুশ চাকমা। বক্তারা বলেন, সাজেকের পর্যটন শিল্প কেবল কিছু ব্যবসায়ীর মুনাফার উৎস নয়, এটি হাজারো শ্রমজীবী মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র মাধ্যম। অবিলম্বে পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি করে সাজেকে যাতায়াত স্বাভাবিক করা না হলে স্থানীয় বাসিন্দারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাঁরা।