ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সাবেকি ধাঁচে শাড়ি পরে উৎসবের দিনগুলোয় যেভাবে সেজেছিলেন স্বস্তিকা মুখার্জি Logo সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সৌদি সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশির বিপদে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত? Logo চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক, অভিযোগ দুই এমপির Logo রংপুরের এক কারখানা এবার বিশ্বের সেরা নতুন ভবন Logo ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত থাকলেও যেন ছাড় না দেয় Logo রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার, আলোচনায় যে কারণ Logo ‘ভারতবিরোধী রাবণে’র পোস্টারে ড. ইউনূসের ছবি, রাহুল–মাস্কসহ আছেন আরও যারা Logo কৃষিঋণের ৪২% খেলাপি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। সেখানে তিনি নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পাশাপাশি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি আলোচিত অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য রাখেন। তার এই মন্তব্য উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই রাজনীতিবিদের অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য নানা মহলে সমালোচনার সৃষ্টি করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে ওই অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি ভুল ছিল না এবং তিনি এর পেছনের যুক্তিগুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন অস্ত্র প্রদর্শন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন তার পদত্যাগের কারণ ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা সম্পর্কেও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কিছু মতপার্থক্যের কারণে তিনি আর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে চান না এবং সেই কারণেই এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে পদত্যাগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে তার এই অবস্থান গ্রহণকে অনেকেই ভিন্নভাবে দেখছেন।

তার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। বিরোধী পক্ষসহ বিভিন্ন মহল থেকে তার এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হলেও, তার অনুসারীরা বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। সবমিলিয়ে, মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা এবং তার জেরে আলোচিত অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

সাবেকি ধাঁচে শাড়ি পরে উৎসবের দিনগুলোয় যেভাবে সেজেছিলেন স্বস্তিকা মুখার্জি

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

আপডেট সময় ০৯:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। সেখানে তিনি নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পাশাপাশি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি আলোচিত অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য রাখেন। তার এই মন্তব্য উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই রাজনীতিবিদের অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য নানা মহলে সমালোচনার সৃষ্টি করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে ওই অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি ভুল ছিল না এবং তিনি এর পেছনের যুক্তিগুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন অস্ত্র প্রদর্শন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন তার পদত্যাগের কারণ ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা সম্পর্কেও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কিছু মতপার্থক্যের কারণে তিনি আর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে চান না এবং সেই কারণেই এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে পদত্যাগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি অস্ত্রকাণ্ডের পক্ষে তার এই অবস্থান গ্রহণকে অনেকেই ভিন্নভাবে দেখছেন।

তার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। বিরোধী পক্ষসহ বিভিন্ন মহল থেকে তার এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হলেও, তার অনুসারীরা বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। সবমিলিয়ে, মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা এবং তার জেরে আলোচিত অস্ত্র নিয়ে করা মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।