আপডেট সময়
১২:০০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
‘ভারতবিরোধী রাবণে’র পোস্টারে ড. ইউনূসের ছবি, রাহুল–মাস্কসহ আছেন আরও যারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌ শহরে সনাতন রক্ষা সংগঠন নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে বেশ কিছু বিতর্কিত পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। সনাতন ভারত কা বিরোধী রাবণ শিরোনামের এসব পোস্টারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস, ধনকুবের ইলন মাস্ক এবং ভারতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মতো আলোচিত ব্যক্তিদের ছবি স্থান পেয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব দাশেরার প্রাক্কালে শহরটির বিভিন্ন জনবহুল মোড়ে এই পোস্টারগুলো নজরে আসে। উৎসবের দশমাথাবিশিষ্ট রাবণের প্রতীকের সঙ্গে মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিন্ন ভিন্ন মুখ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।প্রকাশিত পোস্টারগুলোতে দেশি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন পরিচিত মুখকে একই সারিতে রাখা হয়েছে। এই তালিকায় রাজনীতিবিদ ও বিদেশি ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলার সঙ্গে অতীতে আলোচিত বিভিন্ন ব্যক্তির নামও রয়েছে। পোস্টার সাঁটানো সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ছবির ব্যক্তিরা সবাই কোনো না কোনোভাবে ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঐতিহ্যগত ধর্মীয় প্রতীকের এই ধরনের রাজনৈতিক ব্যবহার লক্ষ্ণৌজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।এদিকে পোস্টার লাগানোর ঘটনার পরপরই এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো। জনসমাগমস্থল থেকে সমাজবাদী পার্টির একজন কর্মীকে নিজ হাতে ওই বিতর্কিত পোস্টারগুলো খুলে ফেলতে দেখা যায়। সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সুপরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। দলটির নীতি ও আদর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে সমাজে বিভাজন তৈরির উদ্দেশ্যে এই পোস্টারগুলো ব্যবহার করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য অবধেশ প্রসাদ দাবি করেছেন যে, আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অখিলেশ যাদবের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন দেখে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসবে, প্রতিপক্ষ শিবিরের এমন অপচেষ্টা ও মিথ্যাচারের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তবে তাদের এসব নেতিবাচক কৌশল শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসবে না বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌ শহরে সনাতন রক্ষা সংগঠন নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে বেশ কিছু বিতর্কিত পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। সনাতন ভারত কা বিরোধী রাবণ শিরোনামের এসব পোস্টারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস, ধনকুবের ইলন মাস্ক এবং ভারতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মতো আলোচিত ব্যক্তিদের ছবি স্থান পেয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব দাশেরার প্রাক্কালে শহরটির বিভিন্ন জনবহুল মোড়ে এই পোস্টারগুলো নজরে আসে। উৎসবের দশমাথাবিশিষ্ট রাবণের প্রতীকের সঙ্গে মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিন্ন ভিন্ন মুখ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রকাশিত পোস্টারগুলোতে দেশি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন পরিচিত মুখকে একই সারিতে রাখা হয়েছে। এই তালিকায় রাজনীতিবিদ ও বিদেশি ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলার সঙ্গে অতীতে আলোচিত বিভিন্ন ব্যক্তির নামও রয়েছে। পোস্টার সাঁটানো সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ছবির ব্যক্তিরা সবাই কোনো না কোনোভাবে ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ঐতিহ্যগত ধর্মীয় প্রতীকের এই ধরনের রাজনৈতিক ব্যবহার লক্ষ্ণৌজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে পোস্টার লাগানোর ঘটনার পরপরই এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো। জনসমাগমস্থল থেকে সমাজবাদী পার্টির একজন কর্মীকে নিজ হাতে ওই বিতর্কিত পোস্টারগুলো খুলে ফেলতে দেখা যায়। সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সুপরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। দলটির নীতি ও আদর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে সমাজে বিভাজন তৈরির উদ্দেশ্যে এই পোস্টারগুলো ব্যবহার করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য অবধেশ প্রসাদ দাবি করেছেন যে, আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অখিলেশ যাদবের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থন দেখে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসবে, প্রতিপক্ষ শিবিরের এমন অপচেষ্টা ও মিথ্যাচারের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তবে তাদের এসব নেতিবাচক কৌশল শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসবে না বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।