আপডেট সময়
০৫:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৬
বার পড়া হয়েছে
বেসরকারি সদস্যদের বিলের ত্রুটি জানাতে হবে এক সপ্তাহের মধ্যে
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের বাইরে সাধারণ সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত কোনো বিলে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা থাকলে, তা সংশ্লিষ্ট সদস্যকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সম্প্রতি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, সাধারণ সংসদ সদস্যদের কোনো প্রস্তাবিত বিল যদি আইনগতভাবে অর্থ বিল হিসেবে গণ্য হয়, তবে তাতে রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইন প্রণয়নে সাধারণ সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহায়তা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।সংসদের নিয়মানুযায়ী, সরকারের মন্ত্রীরা ছাড়া অন্য কোনো আইনপ্রণেতা বিল উত্থাপন করলে তাকে বেসরকারি সদস্য বিল বলা হয়ে থাকে। সংসদীয় বিধি মেনে সাধারণ সদস্যরা এই বিলগুলো আনতে পারেন, যা প্রথমে নির্দিষ্ট এই সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিলগুলো পর্যালোচনা করে সংসদে পেশ করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।কমিটির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিচিতি পর্ব সম্পন্ন হয় এবং প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের জাতীয় সংসদের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মাত্র অল্প কয়েকটি বেসরকারি বিল পাস হলেও বর্তমান সংসদে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিল জমা পড়েছে।
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের বাইরে সাধারণ সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত কোনো বিলে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা থাকলে, তা সংশ্লিষ্ট সদস্যকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সম্প্রতি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, সাধারণ সংসদ সদস্যদের কোনো প্রস্তাবিত বিল যদি আইনগতভাবে অর্থ বিল হিসেবে গণ্য হয়, তবে তাতে রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইন প্রণয়নে সাধারণ সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহায়তা দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
সংসদের নিয়মানুযায়ী, সরকারের মন্ত্রীরা ছাড়া অন্য কোনো আইনপ্রণেতা বিল উত্থাপন করলে তাকে বেসরকারি সদস্য বিল বলা হয়ে থাকে। সংসদীয় বিধি মেনে সাধারণ সদস্যরা এই বিলগুলো আনতে পারেন, যা প্রথমে নির্দিষ্ট এই সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। কমিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিলগুলো পর্যালোচনা করে সংসদে পেশ করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
কমিটির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিচিতি পর্ব সম্পন্ন হয় এবং প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের জাতীয় সংসদের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মাত্র অল্প কয়েকটি বেসরকারি বিল পাস হলেও বর্তমান সংসদে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিল জমা পড়েছে।