ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জ্ঞানেশের অনিয়ম নিয়ে দুই কমিশনারের চিঠি জ্ঞানেশের কাছেই ফেরত পাঠান কেবিনেট সচিব Logo প্রবাসীদের এক সুতোয় বাঁধতে আসছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ Logo প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর, কী উদ্দেশ্যে এই সফর Logo চমক নিয়ে উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা Logo ভারতে হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশে বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার Logo সুন্দরবনের প্রায় ৪০ শতাংশ সুন্দরী গাছ রোগাক্রান্ত, কারণ কী Logo সোনা ও রুপার দাম আরও কমল Logo আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান? Logo বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ধীরগতি, তালিকার অপেক্ষায় ১১ উপজেলা Logo বিপুল অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর ধরে চলে গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প, শেষ মুহূর্তে বাতিল
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিপুল অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর ধরে চলে গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প, শেষ মুহূর্তে বাতিল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর সঙ্গে গাজীপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং যানজট নিরসনের উদ্দেশ্যে সাড়ে চার বছর মেয়াদি বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এর কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিগত চৌদ্দ বছর ধরে চলা এই নির্মাণযজ্ঞ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার পেছনে দফায় দফায় সময় বৃদ্ধি এবং বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল দশা, খোলামেলা ধুলাবালি এবং অপরিকল্পিত কাজের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীকে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হতো। কিন্তু কাজের সিংহভাগ সম্পন্ন হওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত সুফল না মেলায় কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্তে প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যানজট কমানোর এই মহাপরিকল্পনা সফল না হওয়ায় এবং দফায় দফায় ব্যয় বৃদ্ধির পরও প্রকল্পটির সুনির্দিষ্ট সুফল না আসায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মূলত প্রকল্প এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি এবং কাজের শ্লথগতির বিষয়টি বিবেচনা করেই নীতিনির্ধারক মহল এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কীভাবে দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়ে সাধারণের কষ্টের কারণ হতে পারে, বিআরটি তার একটি বড় উদাহরণ। এখন এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাতিলের পর সংশ্লিষ্ট রুটে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে এবং বিকল্প উপায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই দেখার বিষয়।

ট্যাগস :

জ্ঞানেশের অনিয়ম নিয়ে দুই কমিশনারের চিঠি জ্ঞানেশের কাছেই ফেরত পাঠান কেবিনেট সচিব

বিপুল অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর ধরে চলে গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প, শেষ মুহূর্তে বাতিল

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর সঙ্গে গাজীপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং যানজট নিরসনের উদ্দেশ্যে সাড়ে চার বছর মেয়াদি বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এর কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিগত চৌদ্দ বছর ধরে চলা এই নির্মাণযজ্ঞ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার পেছনে দফায় দফায় সময় বৃদ্ধি এবং বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল দশা, খোলামেলা ধুলাবালি এবং অপরিকল্পিত কাজের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীকে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হতো। কিন্তু কাজের সিংহভাগ সম্পন্ন হওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত সুফল না মেলায় কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্তে প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যানজট কমানোর এই মহাপরিকল্পনা সফল না হওয়ায় এবং দফায় দফায় ব্যয় বৃদ্ধির পরও প্রকল্পটির সুনির্দিষ্ট সুফল না আসায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মূলত প্রকল্প এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি এবং কাজের শ্লথগতির বিষয়টি বিবেচনা করেই নীতিনির্ধারক মহল এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কীভাবে দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়ে সাধারণের কষ্টের কারণ হতে পারে, বিআরটি তার একটি বড় উদাহরণ। এখন এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাতিলের পর সংশ্লিষ্ট রুটে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে এবং বিকল্প উপায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই দেখার বিষয়।