ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ দেশের বিভিন্ন কৌশলগত সরকারি স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অদূরদর্শী ও দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতারা এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করার জোর দাবি জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন যে, স্পর্শকাতর জাতীয় সম্পদ বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই জনগণের প্রকৃত মতামত এবং দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের উদ্যোগের পক্ষে সরকারের দেওয়া অর্থনৈতিক যুক্তির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের নিজস্ব জনবল ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা সম্ভব বলে তিনি জোরালো মত প্রকাশ করেন।

বক্তব্যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে অবিলম্বে বাজার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করার আহ্বান জানান সাইফুল হক। একই সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের বর্তমান বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে তাদের ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করার জোরালো দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের গুরুত্ব তুলে ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পুনরায় বাংলাদেশি শ্রমিক প্রেরণের প্রক্রিয়া বেগবান করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনস্বার্থের দাবিতে আগামী দিনে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন দলটির নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহযুদ্ধের মধ্যেই মিয়ানমারের জান্তা নেতাকে কাছে টানছে প্রতিবেশীরা

বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ দেশের বিভিন্ন কৌশলগত সরকারি স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অদূরদর্শী ও দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতারা এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করার জোর দাবি জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন যে, স্পর্শকাতর জাতীয় সম্পদ বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই জনগণের প্রকৃত মতামত এবং দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের উদ্যোগের পক্ষে সরকারের দেওয়া অর্থনৈতিক যুক্তির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের নিজস্ব জনবল ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা সম্ভব বলে তিনি জোরালো মত প্রকাশ করেন।

বক্তব্যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে অবিলম্বে বাজার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করার আহ্বান জানান সাইফুল হক। একই সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের বর্তমান বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে তাদের ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করার জোরালো দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের গুরুত্ব তুলে ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পুনরায় বাংলাদেশি শ্রমিক প্রেরণের প্রক্রিয়া বেগবান করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনস্বার্থের দাবিতে আগামী দিনে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন দলটির নেতৃবৃন্দ।