আপডেট সময়
০২:৪৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৭
বার পড়া হয়েছে
নতুন সরকারের সময়েও পদোন্নতি হয়নি শিক্ষা ক্যাডারে: দায় ব্যক্তিবিশেষের, নাকি ব্যবস্থার
শিক্ষা ডেস্ক: দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবামুখী খাত শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদোন্নতি না হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরও এই ক্যাডারের পদোন্নতির প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে, যা সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত পদমর্যাদা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রমেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করার প্রধান বাধা হলো প্রয়োজনীয় পদের সংকট এবং প্রশাসনিক জটিলতা। এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য অতিরিক্ত বা সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টির একটি জোরালো প্রস্তাব সরকারের উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হয়েছিল। তবে নানা ধরনের আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে সেই প্রস্তাবটি বর্তমানে এক প্রকার স্থবির হয়ে আছে এবং আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, এই সংকটের দায় কেবল কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিবিশেষের ওপর চাপানো ঠিক হবে না, বরং এর পেছনে পুরো প্রশাসনিক কাঠামোগত দুর্বলতা ও সিস্টেমের ত্রুটি অনেকাংশে দায়ী। দীর্ঘকাল ধরে চলা এই প্রক্রিয়াগত জটিলতা নিরসনে নীতিনির্ধারক মহলের সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট রূপরেখা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় মেধাবী কর্মকর্তারা ক্যাডার সার্ভিস বিমুখ হয়ে পড়তে পারেন যা দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে।শিক্ষা ক্যাডারের এই অচলাবস্থা কাটাতে দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা। প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং পদোন্নতির পথ সুগম করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। শিক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে এ ধরনের প্রশাসনিক জট অবিলম্বে ছাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।
শিক্ষা ডেস্ক: দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবামুখী খাত শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদোন্নতি না হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরও এই ক্যাডারের পদোন্নতির প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে, যা সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত পদমর্যাদা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রমেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করার প্রধান বাধা হলো প্রয়োজনীয় পদের সংকট এবং প্রশাসনিক জটিলতা। এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য অতিরিক্ত বা সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টির একটি জোরালো প্রস্তাব সরকারের উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হয়েছিল। তবে নানা ধরনের আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে সেই প্রস্তাবটি বর্তমানে এক প্রকার স্থবির হয়ে আছে এবং আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, এই সংকটের দায় কেবল কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিবিশেষের ওপর চাপানো ঠিক হবে না, বরং এর পেছনে পুরো প্রশাসনিক কাঠামোগত দুর্বলতা ও সিস্টেমের ত্রুটি অনেকাংশে দায়ী। দীর্ঘকাল ধরে চলা এই প্রক্রিয়াগত জটিলতা নিরসনে নীতিনির্ধারক মহলের সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট রূপরেখা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় মেধাবী কর্মকর্তারা ক্যাডার সার্ভিস বিমুখ হয়ে পড়তে পারেন যা দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে।
শিক্ষা ক্যাডারের এই অচলাবস্থা কাটাতে দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা। প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং পদোন্নতির পথ সুগম করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। শিক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে এ ধরনের প্রশাসনিক জট অবিলম্বে ছাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই।