ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন Logo কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি Logo প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির Logo দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল Logo দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী Logo পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ Logo ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে Logo পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের আদালতগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বর্তমানে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিয়ানব্বই লাখের বেশি। বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিশাল পরিমাণ মামলার জট একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিচার বিভাগের এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিমধ্যে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কাটাতে বিচারকদের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করেছেন যে বিচারকাজে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অলস সময় কাটাতে চান, তাঁদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিচার বিভাগের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দায়িত্বে অবহেলাকারী বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন যে কোনো বিচারক যদি স্বাচ্ছন্দে অলস সময় কাটাতে চান, তবে তাঁদের তেমন অঞ্চলেই পদায়ন করা হবে যেখানে কাজ কম থাকে। তাঁর এই মন্তব্য বিচার বিভাগের ভেতরের কার্যপদ্ধতি ও প্রশাসনিক বদলি নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিচারালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং কাজের গতি বাড়াতে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। মামলার জট কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আদালতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিচারকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিচার বিভাগের সামগ্রিক সংস্কার সম্পন্ন হলে এই মামলার পাহাড় অচিরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের আদালতগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বর্তমানে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিয়ানব্বই লাখের বেশি। বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিশাল পরিমাণ মামলার জট একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিচার বিভাগের এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিমধ্যে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কাটাতে বিচারকদের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করেছেন যে বিচারকাজে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অলস সময় কাটাতে চান, তাঁদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিচার বিভাগের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দায়িত্বে অবহেলাকারী বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন যে কোনো বিচারক যদি স্বাচ্ছন্দে অলস সময় কাটাতে চান, তবে তাঁদের তেমন অঞ্চলেই পদায়ন করা হবে যেখানে কাজ কম থাকে। তাঁর এই মন্তব্য বিচার বিভাগের ভেতরের কার্যপদ্ধতি ও প্রশাসনিক বদলি নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিচারালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং কাজের গতি বাড়াতে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। মামলার জট কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আদালতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিচারকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিচার বিভাগের সামগ্রিক সংস্কার সম্পন্ন হলে এই মামলার পাহাড় অচিরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।