ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দুর্গোৎসবের আবাহনে শরৎ, স্মৃতির অলিন্দে চরনারচর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ভ্রমণ ডেস্ক: শরতের আগমনী বার্তা প্রকৃতিতে এক অন্যরকম স্নিগ্ধতা নিয়ে আসে, যা সংবেদনশীল মনকে অজানার পানে ছুটে যাওয়ার আকুলতা জাগায়। কয়েকমাস আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমন্ত্রণে সুনামগঞ্জের চরনারচরে ভ্রমণের এমন এক চমৎকার অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন এক ব্যাংক কর্মকর্তা। যান্ত্রিক সভ্যতার বাইরে পুরোনো ধাঁচের যানবাহনে দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর সেই পথচলা প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল।

গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সেখানকার পরিবেশ পর্যটকদের মন জুড়িয়ে দেয়। দূর থেকে ভেসে আসা ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর পূজামণ্ডপের আলোয় চারপাশ এক উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি মণ্ডপের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীর শান্ত রূপ এবং জোছনা রাতে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ভ্রমণটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে। স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়া এই যাত্রাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছিল।

ভ্রমণটির প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল প্রাকৃতিক দৃশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা পূর্ণতা পেয়েছিল স্থানীয় মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসায়। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে ছোটদের প্রাণোচ্ছ্বল উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে এক আপন পরিবারে রূপান্তর করেছিল। তাঁদের আন্তরিক আতিথেয়তা এবং নিখাদ স্নেহ ভ্রমণকারীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল, যা সাধারণ কোনো ভ্রমণকে জীবন্ত স্মৃতিতে পরিণত করে।

উৎসবের দিনগুলো শেষ হয়ে গেলেও সেই গ্রামীণ জনপদের স্মৃতি মানুষের মনে চিরসবুজ হয়ে থাকে। নদীমাতৃক পরিবেশ, করবী ফুলের দোলা এবং মানুষের ভালোবাসার সেই দিনগুলো লেখকের মননে স্থায়ী আসন গেড়েছে। চরনারচরের এই স্মৃতিচারণা কেবল একটি অঞ্চলের গল্প নয়, বরং এটি আত্মিক সম্পর্কের এক অনন্য দলিল হয়ে রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সফিকুল, সা. সম্পাদক মুশতাক

দুর্গোৎসবের আবাহনে শরৎ, স্মৃতির অলিন্দে চরনারচর

আপডেট সময় ০৭:১৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ভ্রমণ ডেস্ক: শরতের আগমনী বার্তা প্রকৃতিতে এক অন্যরকম স্নিগ্ধতা নিয়ে আসে, যা সংবেদনশীল মনকে অজানার পানে ছুটে যাওয়ার আকুলতা জাগায়। কয়েকমাস আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আমন্ত্রণে সুনামগঞ্জের চরনারচরে ভ্রমণের এমন এক চমৎকার অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন এক ব্যাংক কর্মকর্তা। যান্ত্রিক সভ্যতার বাইরে পুরোনো ধাঁচের যানবাহনে দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর সেই পথচলা প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিল।

গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সেখানকার পরিবেশ পর্যটকদের মন জুড়িয়ে দেয়। দূর থেকে ভেসে আসা ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর পূজামণ্ডপের আলোয় চারপাশ এক উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি মণ্ডপের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীর শান্ত রূপ এবং জোছনা রাতে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ভ্রমণটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে। স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়া এই যাত্রাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছিল।

ভ্রমণটির প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল প্রাকৃতিক দৃশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা পূর্ণতা পেয়েছিল স্থানীয় মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসায়। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে ছোটদের প্রাণোচ্ছ্বল উপস্থিতি পুরো পরিবেশকে এক আপন পরিবারে রূপান্তর করেছিল। তাঁদের আন্তরিক আতিথেয়তা এবং নিখাদ স্নেহ ভ্রমণকারীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল, যা সাধারণ কোনো ভ্রমণকে জীবন্ত স্মৃতিতে পরিণত করে।

উৎসবের দিনগুলো শেষ হয়ে গেলেও সেই গ্রামীণ জনপদের স্মৃতি মানুষের মনে চিরসবুজ হয়ে থাকে। নদীমাতৃক পরিবেশ, করবী ফুলের দোলা এবং মানুষের ভালোবাসার সেই দিনগুলো লেখকের মননে স্থায়ী আসন গেড়েছে। চরনারচরের এই স্মৃতিচারণা কেবল একটি অঞ্চলের গল্প নয়, বরং এটি আত্মিক সম্পর্কের এক অনন্য দলিল হয়ে রয়েছে।