আপডেট সময়
০৩:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
আইন-আদালত ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে নিয়ে সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওই বক্তব্যটি আপত্তিকর এবং মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের উদ্দেশ্যে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হয়েছে।আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, ডাকযোগে বা রেজিস্টার্ড মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে নাহিদ ইসলামকে আগামী দশ দিনের মধ্যে তার আগের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। অন্যথায় নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর প্রচলিত আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।নোটিশদাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের মন্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। তাই এই বক্তব্য সংশোধন করে জাতির সামনে স্পষ্ট অবস্থান না জানানো পর্যন্ত তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছেন। এই আইনি নোটিশের পর সরকারের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু ও নেতার বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা মহলে নানামুখী আলোচনা চলছে। এই আইনি নোটিশের ঘটনাটি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও কিছুটা জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। নির্ধারিত দশ দিনের মধ্যে এই নোটিশের কোনো সন্তোষজনক জবাব আসে কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।
আইন-আদালত ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে নিয়ে সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওই বক্তব্যটি আপত্তিকর এবং মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের উদ্দেশ্যে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, ডাকযোগে বা রেজিস্টার্ড মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে নাহিদ ইসলামকে আগামী দশ দিনের মধ্যে তার আগের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। অন্যথায় নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর প্রচলিত আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
নোটিশদাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের মন্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। তাই এই বক্তব্য সংশোধন করে জাতির সামনে স্পষ্ট অবস্থান না জানানো পর্যন্ত তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছেন। এই আইনি নোটিশের পর সরকারের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু ও নেতার বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা মহলে নানামুখী আলোচনা চলছে। এই আইনি নোটিশের ঘটনাটি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও কিছুটা জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। নির্ধারিত দশ দিনের মধ্যে এই নোটিশের কোনো সন্তোষজনক জবাব আসে কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।