আপডেট সময়
০১:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: নির্বাচন কমিশনার
রাজনীতি ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে মোতায়েন করা হবে। তাই বাড়তি কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা বা অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচনী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের পরিবেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আগামী ২৯ অক্টোবর নির্ধারিত দিনে একটি সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবি সদস্যদের শরীরে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে এবং নজরদারির কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে নির্বাচন কমিশনার বলেন যে, এই উপনির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই। একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওবাসী গর্বিত হবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উপনির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৯ অক্টোবর এই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনীতি ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে মোতায়েন করা হবে। তাই বাড়তি কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা বা অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের পরিবেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আগামী ২৯ অক্টোবর নির্ধারিত দিনে একটি সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবি সদস্যদের শরীরে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে এবং নজরদারির কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে নির্বাচন কমিশনার বলেন যে, এই উপনির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই। একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওবাসী গর্বিত হবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উপনির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৯ অক্টোবর এই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।