আপডেট সময়
০৪:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
টেংরাগিরি ইকোপার্ক থেকে উধাও হচ্ছে হরিণ, নীরব বন বিভাগ
জাতীয় ডেস্ক: বরগুনার তালতলী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টেংরাগিরি ইকোপার্ক থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে বনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হরিণ। দ্বিতীয় সুন্দরবন হিসেবে পরিচিত এই সংরক্ষিত বনে একসময় ১৪টি হরিণ অবাধে বিচরণ করলেও বর্তমানে টিকে আছে মাত্র তিনটি। পার্কের ভেতর দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাবেষ্টনী ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে থাকায় এবং বন বিভাগের উদাসীনতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বনের সৌন্দর্য ও হরিণ দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা চরম হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন।জানা গেছে, সোনাকাটা ইউনিয়নে ইকোট্যুরিজমের সুযোগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কয়েক বছর আগে আড়াই কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে এই ইকোপার্কটি গড়ে তোলা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠালগ্নে সেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করা হয়, যা পর্যটকদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে তদারকির অভাবে পার্কটির অবকাঠামোগত অবস্থা বেহাল হয়ে পড়ে এবং প্রাণীদের জন্য নির্মিত বেষ্টনীগুলো নষ্ট হয়ে যায়। রক্ষণাবেক্ষণের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে বনের ভেতরের পরিবেশ দর্শনার্থীদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, পর্যাপ্ত খাদ্যসংকট এবং চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলেই হরিণগুলোর এমন করুণ পরিণতি হয়েছে। বন বিভাগের নিয়মিত নজরদারির অভাবে অপরাধীরা সুযোগ পাচ্ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা এক পর্যটক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আগের মতো হরিণের দেখা না পাওয়ায় তার পুরো ভ্রমণ অভিজ্ঞতা মাটি হয়ে গেছে এবং উদাসীন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।হরিণ উধাও হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা ব্যাখ্যা বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দিতে পারেননি, যা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে তালতলী রেঞ্জের ছকিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুমেল জানিয়েছেন যে, বেষ্টনী ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অচিরেই পার্কটি সংস্কার করে অবশিষ্ট বন্যপ্রাণী সুরক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় ডেস্ক: বরগুনার তালতলী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টেংরাগিরি ইকোপার্ক থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে বনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হরিণ। দ্বিতীয় সুন্দরবন হিসেবে পরিচিত এই সংরক্ষিত বনে একসময় ১৪টি হরিণ অবাধে বিচরণ করলেও বর্তমানে টিকে আছে মাত্র তিনটি। পার্কের ভেতর দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাবেষ্টনী ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে থাকায় এবং বন বিভাগের উদাসীনতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বনের সৌন্দর্য ও হরিণ দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা চরম হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, সোনাকাটা ইউনিয়নে ইকোট্যুরিজমের সুযোগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কয়েক বছর আগে আড়াই কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে এই ইকোপার্কটি গড়ে তোলা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠালগ্নে সেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করা হয়, যা পর্যটকদের ভীষণভাবে আকৃষ্ট করত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে তদারকির অভাবে পার্কটির অবকাঠামোগত অবস্থা বেহাল হয়ে পড়ে এবং প্রাণীদের জন্য নির্মিত বেষ্টনীগুলো নষ্ট হয়ে যায়। রক্ষণাবেক্ষণের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে বনের ভেতরের পরিবেশ দর্শনার্থীদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, পর্যাপ্ত খাদ্যসংকট এবং চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলেই হরিণগুলোর এমন করুণ পরিণতি হয়েছে। বন বিভাগের নিয়মিত নজরদারির অভাবে অপরাধীরা সুযোগ পাচ্ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা এক পর্যটক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আগের মতো হরিণের দেখা না পাওয়ায় তার পুরো ভ্রমণ অভিজ্ঞতা মাটি হয়ে গেছে এবং উদাসীন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।
হরিণ উধাও হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা ব্যাখ্যা বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দিতে পারেননি, যা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে তালতলী রেঞ্জের ছকিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুমেল জানিয়েছেন যে, বেষ্টনী ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অচিরেই পার্কটি সংস্কার করে অবশিষ্ট বন্যপ্রাণী সুরক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।