ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক Logo দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী Logo সালমানের সেঞ্চুরির পর আফ্রিদিদের তোপ, ৩৭ রানের জয়ে যাত্রা শুরু পাকিস্তানের Logo সচিবালয় সরছে শেরেবাংলা নগরে, ২০২৯ সাল থেকে অফিস শুরু Logo রায়গঞ্জে মাহাতো শিশু–কিশোরদের নিয়ে আনন্দ অনুষ্ঠান Logo তদন্তে ঘুষের সত্যতা মিলেছে, তবু বহাল নায়েব Logo ভালোবাসার যে শিক্ষা দেয় পেঙ্গুইন Logo সোমবার সারা দেশে বন্ধ থাকবে স্বর্ণের দোকান Logo ধানমন্ডির অ্যাপোলো ক্লিনিকে চেন্নাই অ্যাপোলো হাসপাতালের আন্তর্জাতিক সিএমই অনুষ্ঠিত Logo ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট সিরাজুল গ্রেপ্তার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।

ট্যাগস :

উন্নয়নশীল দেশগুলোর রূপান্তর ঘটাতে পারে ‘ছোট এআই’: বিশ্বব্যাংক

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

আপডেট সময় ০৯:০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।