ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ Logo প্রযুক্তিভিত্তিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা Logo সচিবালয়ে প্রবেশ কার্ড সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Logo ইতিহাস গড়লেন হিজাবি আবের কাওয়াস, নিউইয়র্কের আইনসভায় প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নারী Logo বুড়িমারী সীমান্তে বিজিবি-স্থানীয়দের কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ বিএসএফের পুশইন Logo দেশেই ভ্যানিলার চাষ শুরু, বিশ্ববাজারে এক কেজির দাম ৩০ হাজার টাকা Logo মার্কিন ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হওয়ার পথে হাকিম জেফরিস Logo গাজীপুরে অভিযানে গিয়ে ম্যাগজিন-গুলিসহ পিস্তল হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা, উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা Logo মিরপুরে স্বাভাবিক যান চলাচল, শ্রমিকদের উপস্থিতি নেই
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

গল্প-উপন্যাস পড়া কি ইসলামে নিষিদ্ধ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে গল্প বা উপন্যাস পড়ার বিষয়টির কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই। বরং এসব সাহিত্যকর্ম একজন মানুষের জীবনে কেমন প্রভাব ফেলছে এবং এর ভেতরের বিষয়বস্তু কেমন, তার ওপর নির্ভর করে এর ইসলামসম্মত বৈধতা নির্ধারিত হয়। একটি পাত্রের ভেতরে কী রাখা হচ্ছে, তা যেমন পাত্রটির উপযোগিতা নির্ধারণ করে, তেমনি উপন্যাসের বিষয়বস্তুও এর মূল বিচার্য বিষয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে যেকোনো সাহিত্য বা বিনোদনমূলক লেখার ক্ষেত্রে মূল মানদণ্ড হলো তা নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না। যদি কোনো গল্পে অশ্লীলতা, শির্ক, কুসংস্কার বা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিপন্থী কোনো উপাদান না থাকে এবং তা যদি মানুষকে পাপাচার থেকে দূরে রাখে, তবে তা পড়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। ইসলামের মূলনীতি অনুযায়ী জ্ঞান ও সৃজনশীল চর্চাকে সবসময় উৎসাহিত করা হয়েছে।

তবে কোনো উপন্যাস যদি পাঠকের মনে কুপ্রভাব ফেলে, নৈতিক অবক্ষয় ঘটায় কিংবা তাকে ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করে, তবে তা বর্জনীয়। ইসলামে সময়ের অপচয় রোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই অতিরিক্ত মাত্রায় গল্প-উপন্যাস পড়ার কারণে যদি ফরজ ইবাদত বা দৈনন্দিন জরুরি কাজ ব্যাহত হয়, তবে তা অনুচিত বলে গণ্য হবে।

সারაკথ্য হলো, বই নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরি। ইসলামের মূল কাঠামোর ভেতরে থেকে শিক্ষণীয়, জ্ঞানবর্ধক এবং মার্জিত রুচির সাহিত্য পাঠ করা সম্পূর্ণ জায়েজ এবং এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা নেই। পাঠকের মানসিক উৎকর্ষ সাধনে সহায়ক এমন সাহিত্য চর্চাকে ইসলাম ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখে থাকে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ

গল্প-উপন্যাস পড়া কি ইসলামে নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৯:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে গল্প বা উপন্যাস পড়ার বিষয়টির কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই। বরং এসব সাহিত্যকর্ম একজন মানুষের জীবনে কেমন প্রভাব ফেলছে এবং এর ভেতরের বিষয়বস্তু কেমন, তার ওপর নির্ভর করে এর ইসলামসম্মত বৈধতা নির্ধারিত হয়। একটি পাত্রের ভেতরে কী রাখা হচ্ছে, তা যেমন পাত্রটির উপযোগিতা নির্ধারণ করে, তেমনি উপন্যাসের বিষয়বস্তুও এর মূল বিচার্য বিষয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে যেকোনো সাহিত্য বা বিনোদনমূলক লেখার ক্ষেত্রে মূল মানদণ্ড হলো তা নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না। যদি কোনো গল্পে অশ্লীলতা, শির্ক, কুসংস্কার বা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের পরিপন্থী কোনো উপাদান না থাকে এবং তা যদি মানুষকে পাপাচার থেকে দূরে রাখে, তবে তা পড়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। ইসলামের মূলনীতি অনুযায়ী জ্ঞান ও সৃজনশীল চর্চাকে সবসময় উৎসাহিত করা হয়েছে।

তবে কোনো উপন্যাস যদি পাঠকের মনে কুপ্রভাব ফেলে, নৈতিক অবক্ষয় ঘটায় কিংবা তাকে ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করে, তবে তা বর্জনীয়। ইসলামে সময়ের অপচয় রোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই অতিরিক্ত মাত্রায় গল্প-উপন্যাস পড়ার কারণে যদি ফরজ ইবাদত বা দৈনন্দিন জরুরি কাজ ব্যাহত হয়, তবে তা অনুচিত বলে গণ্য হবে।

সারაკথ্য হলো, বই নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরি। ইসলামের মূল কাঠামোর ভেতরে থেকে শিক্ষণীয়, জ্ঞানবর্ধক এবং মার্জিত রুচির সাহিত্য পাঠ করা সম্পূর্ণ জায়েজ এবং এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা নেই। পাঠকের মানসিক উৎকর্ষ সাধনে সহায়ক এমন সাহিত্য চর্চাকে ইসলাম ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখে থাকে।