খাদে পড়া প্রাইভেটকারের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মোটরসাইকেল সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার পর উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটখোলারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্ধাইন গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ট্রাক্টরচালক ছিলেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শহিদুল শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রেম করে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর গ্রামের শহিদুল শেখ (২৭) ও মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সাইদ মোল্লার মেয়ে সাদিয়া আক্তার (২৪)। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল। সম্প্রতি কলহের জেরে সাদিয়া বাবার বাড়িতে চলে যান। স্ত্রী চলে যাওয়ার আগে শহিদুল ইসলাম তার শ্যালকের একটি মোটরসাইকেল এনে নিজের এলাকায় বন্ধক রাখেন। মঙ্গলবার দুপুরে শ্বশুর সাইদ মোল্লা প্রতিবেশী ভাই রবিউল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে মোটরসাইকেল ফেরত নিতে আসলে মোটরসাইকেল নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয় এবং তারা মোটরসাইকেল না নিয়েই ফিরে যান। ওইদিন বিকেলের দিকে শহিদুল শেখ আবার ফোন করে মোটরসাইকেল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইদ মোল্লা ও রবিউলকে হাটখোলার চর গ্রামের ডেকে আনেন। সাইদ মোল্লাকে স্থানীয় মাতুব্বরের বাড়িতে বসিয়ে রেখে রবিউল ইসলামকে আলাদা করে বাইরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু সময় পর শহিদুল মোবাইলে শ্বশুরকে জানান, বুধবার সকালে মোটরসাইকেল দিয়ে দেওয়া হবে। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন রবিউল ইসলাম। মঙ্গলবার রাত ৮টার পর স্থানীয়রা হাটখোলার চর বটতলা থেকে কিছু দূরে একটি প্রাইভেটকার খাদে উল্টে থাকতে দেখে গাড়ির পাশেই একটি রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায়। ওই মরদেহ নিখোঁজ রবিউল ইসলামের বলে শনাক্ত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাইভেটকারে ৪-৫ জন যুবক ছিল। তাদের আচরণ ছিল সন্দেহজনক। স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা শাহাজাদা (২৩) ও তপু সাহা (২২) নামে দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, আর ২-৩ জন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ আরো দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত শহিদুল শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আজম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মোটরসাইকেল সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার পর উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটখোলারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্ধাইন গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ট্রাক্টরচালক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শহিদুল শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে প্রেম করে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর গ্রামের শহিদুল শেখ (২৭) ও মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সাইদ মোল্লার মেয়ে সাদিয়া আক্তার (২৪)। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল। সম্প্রতি কলহের জেরে সাদিয়া বাবার বাড়িতে চলে যান। স্ত্রী চলে যাওয়ার আগে শহিদুল ইসলাম তার শ্যালকের একটি মোটরসাইকেল এনে নিজের এলাকায় বন্ধক রাখেন।
মঙ্গলবার দুপুরে শ্বশুর সাইদ মোল্লা প্রতিবেশী ভাই রবিউল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে মোটরসাইকেল ফেরত নিতে আসলে মোটরসাইকেল নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয় এবং তারা মোটরসাইকেল না নিয়েই ফিরে যান। ওইদিন বিকেলের দিকে শহিদুল শেখ আবার ফোন করে মোটরসাইকেল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইদ মোল্লা ও রবিউলকে হাটখোলার চর গ্রামের ডেকে আনেন। সাইদ মোল্লাকে স্থানীয় মাতুব্বরের বাড়িতে বসিয়ে রেখে রবিউল ইসলামকে আলাদা করে বাইরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু সময় পর শহিদুল মোবাইলে শ্বশুরকে জানান, বুধবার সকালে মোটরসাইকেল দিয়ে দেওয়া হবে। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন রবিউল ইসলাম।
মঙ্গলবার রাত ৮টার পর স্থানীয়রা হাটখোলার চর বটতলা থেকে কিছু দূরে একটি প্রাইভেটকার খাদে উল্টে থাকতে দেখে গাড়ির পাশেই একটি রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায়। ওই মরদেহ নিখোঁজ রবিউল ইসলামের বলে শনাক্ত করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাইভেটকারে ৪-৫ জন যুবক ছিল। তাদের আচরণ ছিল সন্দেহজনক। স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা শাহাজাদা (২৩) ও তপু সাহা (২২) নামে দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, আর ২-৩ জন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ আরো দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
ঘটনার পর থেকে মূল অভিযুক্ত শহিদুল শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আজম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।