আপডেট সময়
০৯:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি
রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সংকটে পড়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি সম্প্রতি প্রকাশিত এক মূল্যায়নে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কৌশলগত পরিকল্পনা ও দৃঢ়তার ঘাটতি ছিল। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এক ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেছেন যে, সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও সংস্কার বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান সংশোধন এবং বিভিন্ন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন জোটের একক ইচ্ছার ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে, যা মূলত পূর্বের কর্তৃত্ববাদী কাঠামোরই পুনরাবৃত্তি। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোও জনস্বার্থের বিষয়টি পাশ কাটিয়ে কেবল নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত রয়েছে, যা সামগ্রিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।টিআইবির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অনেক অধ্যাদেশ বর্তমান সরকারের সময়ে পরিবর্তিত বা বাতিল করা হয়েছে। জবাবদিহিতা নিশ্চিতকারী আইনগুলোকে পাশ কাটিয়ে বা দুর্বল করে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতাকে আরও বেশি সুরক্ষামূলক করা হয়েছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্তগুলো থেকে সরে আসার ফলে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করে সংস্থাটি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাঠামো সংস্কারের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। অতীতে ক্ষমতা কাঠামোর অপব্যবহারের ফলে যে নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা না নিয়ে পুনরায় একই ধারায় দেশ পরিচালনার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জুলাই সনদের চেতনা বাস্তবায়নে পুনরায় ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সংকটে পড়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি সম্প্রতি প্রকাশিত এক মূল্যায়নে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কৌশলগত পরিকল্পনা ও দৃঢ়তার ঘাটতি ছিল। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এক ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেছেন যে, সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও সংস্কার বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান সংশোধন এবং বিভিন্ন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন জোটের একক ইচ্ছার ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়েছে, যা মূলত পূর্বের কর্তৃত্ববাদী কাঠামোরই পুনরাবৃত্তি। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোও জনস্বার্থের বিষয়টি পাশ কাটিয়ে কেবল নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত রয়েছে, যা সামগ্রিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে।
টিআইবির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অনেক অধ্যাদেশ বর্তমান সরকারের সময়ে পরিবর্তিত বা বাতিল করা হয়েছে। জবাবদিহিতা নিশ্চিতকারী আইনগুলোকে পাশ কাটিয়ে বা দুর্বল করে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতাকে আরও বেশি সুরক্ষামূলক করা হয়েছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্তগুলো থেকে সরে আসার ফলে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করে সংস্থাটি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাঠামো সংস্কারের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। অতীতে ক্ষমতা কাঠামোর অপব্যবহারের ফলে যে নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা না নিয়ে পুনরায় একই ধারায় দেশ পরিচালনার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জুলাই সনদের চেতনা বাস্তবায়নে পুনরায় ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।