ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ Logo উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন Logo তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ Logo রাজনৈতিক সমর্থন দেখাতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়: নবীন কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী Logo অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম Logo ২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা Logo সৌদি রুটে বিধিনিষেধে বাতিল–স্থগিত ১৮৬ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী Logo অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক Logo কোন পথে চীনের করিডর?
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কোন পথে চীনের করিডর?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরের জলরাশিতে নিজেদের কৌশলগত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে চীন। এই ভূকৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে ঢাকাকে নিজেদের প্রস্তাবিত বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং। মূলত আঞ্চলিক বাণিজ্য পথ সুগম করা এবং সমুদ্রপথে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করার কৌশলগত উদ্দেশ্য থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই বিশাল অর্থনৈতিক ও ভূকৌশলগত উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বাংলাদেশকে অংশীদার করার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রস্তাবিত এই সংযোগ নেটওয়ার্ক বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সহযোগিতা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। তবে এই ধরনের বড় প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুফল ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য উভয় বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এর আগেও বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বেইজিংয়ের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নতুন যোগাযোগ উদ্যোগটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক এই যোগাযোগ করিডরের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং কৌশলগত দরকষাকষির ওপর। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক কূটনীতির বহুমুখী স্বার্থ রক্ষা করে বাংলাদেশ এই প্রস্তাবকে কীভাবে মোকাবিলা করে, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য

কোন পথে চীনের করিডর?

আপডেট সময় ১০:০০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরের জলরাশিতে নিজেদের কৌশলগত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে চীন। এই ভূকৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে ঢাকাকে নিজেদের প্রস্তাবিত বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং। মূলত আঞ্চলিক বাণিজ্য পথ সুগম করা এবং সমুদ্রপথে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করার কৌশলগত উদ্দেশ্য থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই বিশাল অর্থনৈতিক ও ভূকৌশলগত উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বাংলাদেশকে অংশীদার করার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রস্তাবিত এই সংযোগ নেটওয়ার্ক বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সহযোগিতা নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। তবে এই ধরনের বড় প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুফল ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য উভয় বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এর আগেও বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বেইজিংয়ের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নতুন যোগাযোগ উদ্যোগটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক এই যোগাযোগ করিডরের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং কৌশলগত দরকষাকষির ওপর। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক কূটনীতির বহুমুখী স্বার্থ রক্ষা করে বাংলাদেশ এই প্রস্তাবকে কীভাবে মোকাবিলা করে, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।