ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ Logo উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন Logo তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ Logo রাজনৈতিক সমর্থন দেখাতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়: নবীন কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী Logo অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম Logo ২৭৬ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৬ জনের সাজা Logo সৌদি রুটে বিধিনিষেধে বাতিল–স্থগিত ১৮৬ ফ্লাইট, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী Logo অগ্রণী ব্যাংকে টাকা রেখে এখন হিসাবের অস্তিত্ব পাচ্ছেন না ৩১৫ গ্রাহক Logo কোন পথে চীনের করিডর?
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কর্ণফুলীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরিতে আরও ২ সপ্তাহ সময় দিলেন হাইকোর্ট

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আইন-আদালত ডেস্ক: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ সম্পন্ন করে অবৈধ দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নতুন করে দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। নদী রক্ষা এবং এর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার জন্য দায়ের করা একটি জনস্বার্থমূলক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ আসে।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ বা এইচআরপিবির করা একটি রিট মামলার প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারির পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর সীমানা জরিপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। আদালত ওই সময় কাজ সম্পন্ন করার জন্য তিন মাস সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন এবং জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে নদী রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন।

তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আদালতের সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি এবং কোনো প্রতিবেদনও দাখিল করেনি। পরবর্তীতে রিটকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে এনে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়। সম্প্রতি সেই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং শুনানি শেষে আদালত নতুন করে দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেন।

আদালতে রিটকারী সংগঠনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিহাব উদ্দিন খান। শুনানফিিকালে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ উল্লেখ করেন যে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনেও জরিপ প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় নদীর বিভিন্ন অংশ দখল ও দূষণ অব্যাহত রয়েছে। এই দখলদারিত্বের কারণে চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে তিনি আদালতকে জানান।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী নদী রক্ষা সংক্রান্ত এই জনস্বার্থের মামলায় বিবাদী হিসেবে পরিকল্পনা সচিব, নৌপরিবহন সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, পানিসম্পদ সচিব, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো নদী দখলমুক্ত করে এর জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা করা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য

কর্ণফুলীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরিতে আরও ২ সপ্তাহ সময় দিলেন হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ সম্পন্ন করে অবৈধ দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নতুন করে দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। নদী রক্ষা এবং এর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার জন্য দায়ের করা একটি জনস্বার্থমূলক মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ আসে।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ বা এইচআরপিবির করা একটি রিট মামলার প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারির পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর সীমানা জরিপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। আদালত ওই সময় কাজ সম্পন্ন করার জন্য তিন মাস সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন এবং জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে নদী রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন।

তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আদালতের সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি এবং কোনো প্রতিবেদনও দাখিল করেনি। পরবর্তীতে রিটকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে এনে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়। সম্প্রতি সেই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং শুনানি শেষে আদালত নতুন করে দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেন।

আদালতে রিটকারী সংগঠনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিহাব উদ্দিন খান। শুনানফিিকালে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ উল্লেখ করেন যে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনেও জরিপ প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় নদীর বিভিন্ন অংশ দখল ও দূষণ অব্যাহত রয়েছে। এই দখলদারিত্বের কারণে চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে তিনি আদালতকে জানান।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী নদী রক্ষা সংক্রান্ত এই জনস্বার্থের মামলায় বিবাদী হিসেবে পরিকল্পনা সচিব, নৌপরিবহন সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, পানিসম্পদ সচিব, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো নদী দখলমুক্ত করে এর জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা করা।