ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলে বাস্তবায়ন করেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা তার প্রমাণ’ Logo শৈশবের দুর্গাপূজা: আনন্দের এক অন্য জগৎ Logo ভেপিং ছেড়েছেন সেলেনা, বড় ক্ষতি হয়েছে জানালেন নিজেই Logo সাজেকে ভ্রমণ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা Logo বিসর্জনের অশ্রুতে ঐতিহ্যের বাঁধন, ঘিওরে ২০২ বছরের সম্প্রীতির মেলায় মানুষের ঢল Logo মানহীন বাল্বে সয়লাব বাজার, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা Logo প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় দুর্গোৎসব Logo পুজোর সাজে সাবেকি, না আধুনিক: মিমের আনারকলি, মন্দিরার বেনারসি, দীঘির কাঞ্চিপুরম, জয়ার সুতির শাড়ি কার লুক নজর কাড়ল সবচেয়ে বেশি Logo পতেঙ্গার ঢেউয়ে ভাসে প্রতিমা, বুকে বাজে বিসর্জনের ব্যথা Logo রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানেও লাগবে নিবন্ধন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী নতুন করে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্লেষক তিতুমীর আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কিছু বড় ধরনের গলদ রয়ে গেছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে। মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সঞ্চয় বলতে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রার মান দিনে দিনে আরও বেশি নিম্নমুখী হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে দেশের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট মহলকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন যে কেবল সাময়িক ত্রাণের ব্যবস্থা করে এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়, বরং টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও জোরালো ও বাস্তবমুখী নীতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অর্থনীতিতে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান যে এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সাধারণ মানুষের হাতে অর্থ না থাকায় বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করে দিচ্ছে। তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনতে কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

ট্যাগস :

‘তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলে বাস্তবায়ন করেন, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা তার প্রমাণ’

এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী নতুন করে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্লেষক তিতুমীর আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কিছু বড় ধরনের গলদ রয়ে গেছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে। মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সঞ্চয় বলতে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রার মান দিনে দিনে আরও বেশি নিম্নমুখী হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে দেশের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট মহলকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন যে কেবল সাময়িক ত্রাণের ব্যবস্থা করে এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়, বরং টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও জোরালো ও বাস্তবমুখী নীতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অর্থনীতিতে যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান যে এই অবস্থা চলতে থাকলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সাধারণ মানুষের হাতে অর্থ না থাকায় বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শ্লথ করে দিচ্ছে। তাই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনতে কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।