ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন Logo লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা Logo দ্রুত বিয়ে হওয়ার ৫ আমল ও দোয়া Logo রিজওয়ানের ফেরার পথ খুলে দিল পিসিবি Logo ‘শুভ শক্তির জয় হোক’: বধূর সাজ আর দেবীর রূপের লুক বলছে কোনও নেতিবাচকতাই ম্লান করতে পারে না তাঁর সৌন্দর্য Logo হামের চিকিৎসায় ঘাটতি না রাখতে নির্দেশনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী Logo দিল্লি যাবেন না, মুম্বাইয়ে বৈঠক করবেন রুবিও, ভারতকে কী বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র Logo ‘সবার আগে দেশ নয়, এখন সবার আগে বিএনপি’: আব্দুস সাত্তার এমপি Logo ২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, পরীক্ষার্থীদের যে ৬ নির্দেশনা জানা জরুরি Logo এআইয়ের যুগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায়
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এআইয়ের যুগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশ বেকার থাকার পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে চাকরির সুযোগ বাড়ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তরুণদের প্রতিভা ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার জন্য কার্যকর ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, যা দ্রুত সহায়তা প্রত্যাশী তরুণদের জন্য যথেষ্ট নয়। এই পরিস্থিতিতে বেকারত্ব মোকাবিলায় কমিউনিটিভিত্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোগগুলো কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে।

আফ্রিকা ও পাকিস্তানের কিছু অঞ্চলে তরুণ স্নাতকদের নিয়ে পরিচালিত স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ মডেল বেশ সফল হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে এক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার এমন একটি মডেল চালু রয়েছে যেখানে প্রত্যেকে আরও দশজনকে জ্ঞান বিতরণের দায়িত্ব নেন। কোনো বড় সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা ছাড়াই পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালিত এসব কর্মসূচি স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এসব অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে কারণ এতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অনুপস্থিত থাকে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের আবির্ভাবের ফলে শ্রমবাজারের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় সঠিক দিকনির্দেশনার বিষয়টি আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গবেষণা অনুযায়ী, তরুণ কর্মীদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এমন পেশায় নিয়োজিত যেখানে এআইয়ের কারণে বড় পরিবর্তন আসছে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাওয়ার আগেই প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব তরুণদের ক্যারিয়ার শুরুর পথ কঠিন করে তুলছে।

এই সংকট উত্তরণে কেবল দাতব্য সহায়তা বা সীমিত সংখ্যক শিক্ষাবৃত্তি কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। প্রতিভা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত বিনিয়োগ যার মধ্যে থাকবে কার্যকর পরামর্শদান ব্যবস্থা এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের অবকাঠামো। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে এবং তাদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে এ ধরনের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক ফোরামে এসব সংকট তুলে ধরে সঠিক নীতি নির্ধারণ ও সম্পদ বরাڌ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন

এআইয়ের যুগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায়

আপডেট সময় ০১:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশ বেকার থাকার পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে চাকরির সুযোগ বাড়ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তরুণদের প্রতিভা ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার জন্য কার্যকর ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, যা দ্রুত সহায়তা প্রত্যাশী তরুণদের জন্য যথেষ্ট নয়। এই পরিস্থিতিতে বেকারত্ব মোকাবিলায় কমিউনিটিভিত্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোগগুলো কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে।

আফ্রিকা ও পাকিস্তানের কিছু অঞ্চলে তরুণ স্নাতকদের নিয়ে পরিচালিত স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ মডেল বেশ সফল হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে এক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার এমন একটি মডেল চালু রয়েছে যেখানে প্রত্যেকে আরও দশজনকে জ্ঞান বিতরণের দায়িত্ব নেন। কোনো বড় সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা ছাড়াই পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালিত এসব কর্মসূচি স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এসব অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে কারণ এতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অনুপস্থিত থাকে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের আবির্ভাবের ফলে শ্রমবাজারের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় সঠিক দিকনির্দেশনার বিষয়টি আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গবেষণা অনুযায়ী, তরুণ কর্মীদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এমন পেশায় নিয়োজিত যেখানে এআইয়ের কারণে বড় পরিবর্তন আসছে। উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাওয়ার আগেই প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব তরুণদের ক্যারিয়ার শুরুর পথ কঠিন করে তুলছে।

এই সংকট উত্তরণে কেবল দাতব্য সহায়তা বা সীমিত সংখ্যক শিক্ষাবৃত্তি কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। প্রতিভা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত বিনিয়োগ যার মধ্যে থাকবে কার্যকর পরামর্শদান ব্যবস্থা এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের অবকাঠামো। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে এবং তাদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে এ ধরনের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক ফোরামে এসব সংকট তুলে ধরে সঠিক নীতি নির্ধারণ ও সম্পদ বরাڌ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।