ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের Logo পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ Logo অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন Logo মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে Logo এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল Logo হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন Logo হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ Logo এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না Logo এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির প্রসার বাড়ার সাথে সাথে এর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে এই প্রযুক্তি চালাতে যে পরিমাণ পানিসম্পদ খরচ হয়, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে বেশ উদ্বেগ রয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শীর্ষস্থানীয় এআই প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান। তিনি দাবি করেছেন যে, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ফলে অতিরিক্ত পানি খরচের বিষয়ে অনলাইনে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার অধিকাংশই সঠিক নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্মে এআই ডেটাসেন্টারের কুলিং সিস্টেমের কারণে প্রচুর সুপেয় পানি অপচয় হওয়ার নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব তথ্যে দাবি করা হয় যে, ব্যবহারকারীদের প্রতিটি প্রম্পটের বিপরীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পানি খরচ হচ্ছে। তবে স্যাম অল্টম্যান এই দাবিগুলোকে অতিরঞ্জিত এবং বাস্তবতাবহির্ভূত বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, চ্যাটজিপিটির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল ধারণার সৃষ্টি করা হচ্ছে।

যদিও ওপেনএআই প্রধান এই বিষয়ে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন, তবুও প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করেন যে আধুনিক এআই মডেলগুলোর বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারের বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। বিশাল সব ডেটাসেন্টার পরিচালনার জন্য প্রথাগতভাবেই প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়, যা পরিবেশের ওপর একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় চাপ সৃষ্টি করে। ফলে অল্টম্যানের এই বক্তব্যের পরও পরিবেশবিদ এবং প্রযুক্তি গবেষকদের মধ্যে এআই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিতর্ক থামেনি।

ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়লে এর পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা আরও জরুরি হয়ে পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন। এ কারণে ওপেনএআইসহ অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডেটাসেন্টারগুলোর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শক্তি ও পানি অপচয় কমানোর নানা উপায় নিয়ে কাজ করছে। স্যাম অল্টম্যানের এই মন্তব্য প্রযুক্তি খাতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং এআই প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব রূপান্তর ঘটাতে একটি নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে।

ট্যাগস :

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য

আপডেট সময় ০৭:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির প্রসার বাড়ার সাথে সাথে এর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে এই প্রযুক্তি চালাতে যে পরিমাণ পানিসম্পদ খরচ হয়, তা নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে বেশ উদ্বেগ রয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শীর্ষস্থানীয় এআই প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান। তিনি দাবি করেছেন যে, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ফলে অতিরিক্ত পানি খরচের বিষয়ে অনলাইনে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার অধিকাংশই সঠিক নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্মে এআই ডেটাসেন্টারের কুলিং সিস্টেমের কারণে প্রচুর সুপেয় পানি অপচয় হওয়ার নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব তথ্যে দাবি করা হয় যে, ব্যবহারকারীদের প্রতিটি প্রম্পটের বিপরীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পানি খরচ হচ্ছে। তবে স্যাম অল্টম্যান এই দাবিগুলোকে অতিরঞ্জিত এবং বাস্তবতাবহির্ভূত বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, চ্যাটজিপিটির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল ধারণার সৃষ্টি করা হচ্ছে।

যদিও ওপেনএআই প্রধান এই বিষয়ে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন, তবুও প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করেন যে আধুনিক এআই মডেলগুলোর বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারের বিষয়টি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। বিশাল সব ডেটাসেন্টার পরিচালনার জন্য প্রথাগতভাবেই প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়, যা পরিবেশের ওপর একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় চাপ সৃষ্টি করে। ফলে অল্টম্যানের এই বক্তব্যের পরও পরিবেশবিদ এবং প্রযুক্তি গবেষকদের মধ্যে এআই খাতের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিতর্ক থামেনি।

ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও বাড়লে এর পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা আরও জরুরি হয়ে পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন। এ কারণে ওপেনএআইসহ অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডেটাসেন্টারগুলোর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শক্তি ও পানি অপচয় কমানোর নানা উপায় নিয়ে কাজ করছে। স্যাম অল্টম্যানের এই মন্তব্য প্রযুক্তি খাতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং এআই প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব রূপান্তর ঘটাতে একটি নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে।