ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জ্ঞানেশের অনিয়ম নিয়ে দুই কমিশনারের চিঠি জ্ঞানেশের কাছেই ফেরত পাঠান কেবিনেট সচিব Logo প্রবাসীদের এক সুতোয় বাঁধতে আসছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ Logo প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর, কী উদ্দেশ্যে এই সফর Logo চমক নিয়ে উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা Logo ভারতে হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশে বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার Logo সুন্দরবনের প্রায় ৪০ শতাংশ সুন্দরী গাছ রোগাক্রান্ত, কারণ কী Logo সোনা ও রুপার দাম আরও কমল Logo আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান? Logo বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ধীরগতি, তালিকার অপেক্ষায় ১১ উপজেলা Logo বিপুল অর্থ ব্যয়ে ১৪ বছর ধরে চলে গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প, শেষ মুহূর্তে বাতিল
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার রাজনীতিতে বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৯৫ সালের ৩০ অক্টোবর কুইবেক প্রদেশে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রায় দেশটির অখণ্ডতা বিপন্ন করে তুলেছিল। ফরাসি ভাষাভাষী অধ্যুষিত কুইবেকের সেই গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক এবং তৎকালীন সময়ে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ওই গণভোটে কুইবেকের ভাগ্য নির্ধারণী ভোটাধিকার প্রয়োগের হার ছিল অবিশ্বাস্য রকমের বেশি, যা প্রায় ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে সে যাত্রায় কানাডা থেকে কুইবেকের বিচ্ছিন্ন হওয়া ঠেকানো সম্ভব হলেও এই ঘটনা দেশটির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গভীর ক্ষত রেখে যায়। পরবর্তীতে এই ধরনের আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় কানাডার সরকার ও আদালত নানা ধরনের আইনি ও সাংবিধানিক পথ উন্মুক্ত করে।

কুইবেকের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকেই কানাডার অন্যান্য প্রদেশেও মাঝে মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার বা আলাদা হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যায়। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশেও বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রবিরোধী মনোভাব এবং নিজেদের সম্পদ নিজেদের মতো ব্যবহারের দাবি জোরালো হয়েছে। তবে এসব আন্দোলনের প্রকৃতি ও জনসমর্থন কুইবেকের মতো অতীতে এতটা তীব্র রূপ নেয়নি।

কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও দেশটির মূলধারার এই রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অভিবাসী হিসেবে তারা কানাডার অখণ্ডতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে সাধারণত নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে থাকেন। ফলে আলবার্টা বা অন্য কোনো অঞ্চলের স্বাধীনতা ইস্যু তৈরি হলে সেখানে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।

ট্যাগস :

জ্ঞানেশের অনিয়ম নিয়ে দুই কমিশনারের চিঠি জ্ঞানেশের কাছেই ফেরত পাঠান কেবিনেট সচিব

আলবার্টার স্বাধীনতা ইস্যুতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কেন এ অবস্থান?

আপডেট সময় ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার রাজনীতিতে বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের দাবি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে ১৯৯৫ সালের ৩০ অক্টোবর কুইবেক প্রদেশে একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রায় দেশটির অখণ্ডতা বিপন্ন করে তুলেছিল। ফরাসি ভাষাভাষী অধ্যুষিত কুইবেকের সেই গণভোটে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত ব্যাপক এবং তৎকালীন সময়ে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ওই গণভোটে কুইবেকের ভাগ্য নির্ধারণী ভোটাধিকার প্রয়োগের হার ছিল অবিশ্বাস্য রকমের বেশি, যা প্রায় ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অত্যন্ত অল্প ব্যবধানে সে যাত্রায় কানাডা থেকে কুইবেকের বিচ্ছিন্ন হওয়া ঠেকানো সম্ভব হলেও এই ঘটনা দেশটির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গভীর ক্ষত রেখে যায়। পরবর্তীতে এই ধরনের আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় কানাডার সরকার ও আদালত নানা ধরনের আইনি ও সাংবিধানিক পথ উন্মুক্ত করে।

কুইবেকের সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকেই কানাডার অন্যান্য প্রদেশেও মাঝে মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার বা আলাদা হয়ে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যায়। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশেও বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রবিরোধী মনোভাব এবং নিজেদের সম্পদ নিজেদের মতো ব্যবহারের দাবি জোরালো হয়েছে। তবে এসব আন্দোলনের প্রকৃতি ও জনসমর্থন কুইবেকের মতো অতীতে এতটা তীব্র রূপ নেয়নি।

কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও দেশটির মূলধারার এই রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অভিবাসী হিসেবে তারা কানাডার অখণ্ডতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার পক্ষে সাধারণত নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে থাকেন। ফলে আলবার্টা বা অন্য কোনো অঞ্চলের স্বাধীনতা ইস্যু তৈরি হলে সেখানে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।