আপডেট সময়
০৩:১৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
৬
বার পড়া হয়েছে
আজ যে জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তা জিয়াউর রহমানই দেখিয়ে গিয়েছিলেন: এম সাখাওয়াত হোসেন
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় জীবনের নানা সংকট উত্তরণে বর্তমানে যে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে, তার প্রকৃত পথপ্রদর্শক ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করা হয়। সেখানে বক্তারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের ওপর বিশেষ জোর দেন এবং অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা ঐতিহাসিক সাতই নভেম্বরের চেতনাকে বর্তমান প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তাদের মতে, সেই সময়ের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে দেশ গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তা জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল। এই চেতনাকে ধারণ করতে পারলে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুসংহত হতে পারে বলে তারা মনে করেন।সেমিনারে উপস্থিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশিষ্টজনেরা দেশের বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, বিভিন্ন মতপার্থক্য ভুলে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অতীতে কীভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, তা থেকে বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে তারা মন্তব্য করেন।আলোচনা সভা শেষে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় ঐক্যের এই বার্তাটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে তারা পুনরায় উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় জীবনের নানা সংকট উত্তরণে বর্তমানে যে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে, তার প্রকৃত পথপ্রদর্শক ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করা হয়। সেখানে বক্তারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের ওপর বিশেষ জোর দেন এবং অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ঐতিহাসিক সাতই নভেম্বরের চেতনাকে বর্তমান প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তাদের মতে, সেই সময়ের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে দেশ গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তা জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছিল। এই চেতনাকে ধারণ করতে পারলে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সুসংহত হতে পারে বলে তারা মনে করেন।
সেমিনারে উপস্থিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশিষ্টজনেরা দেশের বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, বিভিন্ন মতপার্থক্য ভুলে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ওঠে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অতীতে কীভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, তা থেকে বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে তারা মন্তব্য করেন।
আলোচনা সভা শেষে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় ঐক্যের এই বার্তাটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে তারা পুনরায় উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।