আপডেট সময়
০১:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের
জাতীয় ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ, এলপিজি সিলিন্ডার এবং জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম বৃদ্ধির পেছনে থাকা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, বাজারে একশ্রেণির প্রভাবশালী গোষ্ঠী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর আর্থিক চাপ চরম আকার ধারণ করেছে।মানববন্ধনে ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর ওপর নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আসন্ন রমজান মাসের কথা মাথায় রেখে এখনই সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।প্রতিবাদ সভায় সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, বাজারের এই অস্থিরতার মূল শিকার হচ্ছে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সংকট নিরসনে সরকারকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং বিকল্প ও শক্তিশালী বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস আরও বাড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন।ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। সাধারণ ভোক্তাদের এই দুর্ভোগ লাঘব করতে হলে বাজার মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া বক্তারা আসন্ন উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ঠেকাতে সরকার ও ভোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতীয় ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ, এলপিজি সিলিন্ডার এবং জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম বৃদ্ধির পেছনে থাকা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সম্প্রতি রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, বাজারে একশ্রেণির প্রভাবশালী গোষ্ঠী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর আর্থিক চাপ চরম আকার ধারণ করেছে।
মানববন্ধনে ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর ওপর নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আসন্ন রমজান মাসের কথা মাথায় রেখে এখনই সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।
প্রতিবাদ সভায় সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, বাজারের এই অস্থিরতার মূল শিকার হচ্ছে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সংকট নিরসনে সরকারকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং বিকল্প ও শক্তিশালী বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস আরও বাড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন।
ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। সাধারণ ভোক্তাদের এই দুর্ভোগ লাঘব করতে হলে বাজার মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া বক্তারা আসন্ন উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ঠেকাতে সরকার ও ভোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।