আপডেট সময়
০৫:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
৭
বার পড়া হয়েছে
মুখে এআই ডিভাইস লাগিয়ে আলোচনায় ভারতীয় অধিনায়ক
খেলা ডেস্ক: ক্রিকেট মাঠে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভক্ত ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমান গিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রাক্কালে অনুশীলনের সময় তাঁর কপালে একটি অভিনব যন্ত্র দেখা যায়। পরবর্তীতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেও মাঠে নামার সময় তাঁর শরীরের এই বিশেষ ডিভাইসটি সবার নজর কাড়ে। আধুনিক এই ওয়্যারেবল প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও কার্যকারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, এই বিশেষ ডিভাইসটির নাম টেম্পল এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় পঁচাশি হাজার ভারতীয় রুপি। জোমাটো ও ইটারনালের প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দর গোয়েলের উদ্যোগে উদ্ভাবিত এই যন্ত্রটি প্রচলিত কোনো স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ডের মতো কাজ করে না। ডিম্বাকৃতির এই ছোট যন্ত্রটি কবজিতে নয়, বরং কানের সামনের দিকে কপালের পাশের শঙ্খদেশে বিশেষ আঠালো প্যাচের সাহায্যে সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে খেলোয়াড়রা অনুশীলনের সময় কিংবা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মাঝেও এটি অত্যন্ত সহজে ব্যবহার করতে পারেন।এই যন্ত্রটির মূল প্রযুক্তিকে ব্রেনফ্লো নামে অভিহিত করা হয়েছে, যা অপটিক্যাল বা আলোভিত্তিক সেন্সরের সাহায্যে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন সংক্রান্ত সংকেত সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়ের শরীর কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তার সঠিক মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া যন্ত্রটিতে এন্ট্রপি নামক এক বিশেষ স্কোর রয়েছে, যার মাত্রা এক থেকে আড়াইশ পর্যন্ত হতে পারে। এই স্কোর মূলত খেলোয়াড়ের শারীরবৃত্তীয় চাপ ও পরিশ্রমের মাত্রা ফুটিয়ে তোলে, যা ঘুম, মানসিক চাপ বা ক্যাফেইন গ্রহণের মতো বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়।দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে ব্যাট করা, ফিল্ডিং করা এবং একই সঙ্গে অধিনায়কত্বের বাড়তি দায়িত্ব পালন করার সময় একজন ক্রিকেটারকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বড় ধরনের চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এই ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শরীরের ভেতরের অবস্থা, ক্লান্তি ও পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া সম্ভব। যদিও শুভমান গিল ঠিক কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এর আগে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধুকেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল।নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এই ডিভাইসটি কোনো প্রচলিত ব্রেন স্ক্যানিং যন্ত্র বা চিকিৎসাগত রোগ নির্ণয়ের মাধ্যম নয়। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে না এবং চিকিৎসাগত সুস্থতা নিশ্চিত করার বিকল্প হিসেবেও কাজ করে না। তা সত্ত্বেও খেলাধুলার জগতে অ্যাথলেটদের শারীরিক ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগামী দিনে এই ধরনের ডিভাইস খেলোয়াড়দের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
খেলা ডেস্ক: ক্রিকেট মাঠে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভক্ত ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমান গিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রাক্কালে অনুশীলনের সময় তাঁর কপালে একটি অভিনব যন্ত্র দেখা যায়। পরবর্তীতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেও মাঠে নামার সময় তাঁর শরীরের এই বিশেষ ডিভাইসটি সবার নজর কাড়ে। আধুনিক এই ওয়্যারেবল প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও কার্যকারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, এই বিশেষ ডিভাইসটির নাম টেম্পল এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় পঁচাশি হাজার ভারতীয় রুপি। জোমাটো ও ইটারনালের প্রতিষ্ঠাতা দীপিন্দর গোয়েলের উদ্যোগে উদ্ভাবিত এই যন্ত্রটি প্রচলিত কোনো স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ডের মতো কাজ করে না। ডিম্বাকৃতির এই ছোট যন্ত্রটি কবজিতে নয়, বরং কানের সামনের দিকে কপালের পাশের শঙ্খদেশে বিশেষ আঠালো প্যাচের সাহায্যে সংযুক্ত করা হয়। এর ফলে খেলোয়াড়রা অনুশীলনের সময় কিংবা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মাঝেও এটি অত্যন্ত সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
এই যন্ত্রটির মূল প্রযুক্তিকে ব্রেনফ্লো নামে অভিহিত করা হয়েছে, যা অপটিক্যাল বা আলোভিত্তিক সেন্সরের সাহায্যে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন সংক্রান্ত সংকেত সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়ের শরীর কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তার সঠিক মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া যন্ত্রটিতে এন্ট্রপি নামক এক বিশেষ স্কোর রয়েছে, যার মাত্রা এক থেকে আড়াইশ পর্যন্ত হতে পারে। এই স্কোর মূলত খেলোয়াড়ের শারীরবৃত্তীয় চাপ ও পরিশ্রমের মাত্রা ফুটিয়ে তোলে, যা ঘুম, মানসিক চাপ বা ক্যাফেইন গ্রহণের মতো বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে ব্যাট করা, ফিল্ডিং করা এবং একই সঙ্গে অধিনায়কত্বের বাড়তি দায়িত্ব পালন করার সময় একজন ক্রিকেটারকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বড় ধরনের চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এই ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শরীরের ভেতরের অবস্থা, ক্লান্তি ও পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া সম্ভব। যদিও শুভমান গিল ঠিক কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এর আগে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধুকেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এই ডিভাইসটি কোনো প্রচলিত ব্রেন স্ক্যানিং যন্ত্র বা চিকিৎসাগত রোগ নির্ণয়ের মাধ্যম নয়। এটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে না এবং চিকিৎসাগত সুস্থতা নিশ্চিত করার বিকল্প হিসেবেও কাজ করে না। তা সত্ত্বেও খেলাধুলার জগতে অ্যাথলেটদের শারীরিক ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগামী দিনে এই ধরনের ডিভাইস খেলোয়াড়দের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।