অর্থনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আলোচিত এক ব্যাংক কর্মকর্তার দেশত্যাগ ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত সরকারের পতনের বহু আগেই ২০২৩ সালের কোনো এক সময়ে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পারে চলে যান। পরবর্তীতে গত বছরের আগস্ট মাসের রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার এই দেশত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে আরও জোরালোভাবে আলোচিত হতে থাকে।অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি দেশের ব্যাংক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এই অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ মাথায় নিয়ে তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তিনি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন এবং পুরো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আবদুল হাই দাবি করেন যে, তিনি কোনো ধরনের আর্থিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে একটি বড় চক্রের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তার মতে, একটি প্রভাবশালী মহলের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে তাকে সমস্ত অন্যায়ের দায়ভার নিতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।ব্যাংকিং খাতে সংঘটিত বিভিন্ন জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনার পর অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই তালিকায় আবদুল হাইয়ের নামও জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে।
অর্থনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আলোচিত এক ব্যাংক কর্মকর্তার দেশত্যাগ ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত সরকারের পতনের বহু আগেই ২০২৩ সালের কোনো এক সময়ে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পারে চলে যান। পরবর্তীতে গত বছরের আগস্ট মাসের রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার এই দেশত্যাগের বিষয়টি জনসমক্ষে আরও জোরালোভাবে আলোচিত হতে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি দেশের ব্যাংক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। এই অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ মাথায় নিয়ে তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তিনি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন এবং পুরো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আবদুল হাই দাবি করেন যে, তিনি কোনো ধরনের আর্থিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে একটি বড় চক্রের বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তার মতে, একটি প্রভাবশালী মহলের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে তাকে সমস্ত অন্যায়ের দায়ভার নিতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।
ব্যাংকিং খাতে সংঘটিত বিভিন্ন জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনার পর অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই তালিকায় আবদুল হাইয়ের নামও জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে।