আপডেট সময়
০৩:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
ডেঙ্গু জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয় ডেস্ক: দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। সরকারপ্রধান স্পষ্টভাবে জানান যে, ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি এবং এ জন্য প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।সভায় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় নিয়মিত মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ মশাবাহিত এই রোগ সম্পর্কে সতর্ক হতে পারে। পাশাপাশি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জুমার নামাজের খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরার ওপরও তিনি জোর দেন। মূলত তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এই সংকট মোকাবিলায় সব সরকারি সংস্থাকে কোনো ধরনের ঢিলেঢালা ভাব না রেখে সম্পূর্ণ সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। বিশেষ করে যেসকল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর প্রকোপ বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেসব জনপদে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর জোর দিয়ে বৈঠকে সরকারি আবাসিক কোয়ার্টার এবং হাসপাতাল চত্বর নিয়মিত পরিষ্কার রাখার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সার্বিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে ডেঙ্গু দমনের পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।
জাতীয় ডেস্ক: দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। সরকারপ্রধান স্পষ্টভাবে জানান যে, ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি এবং এ জন্য প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় নিয়মিত মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ মশাবাহিত এই রোগ সম্পর্কে সতর্ক হতে পারে। পাশাপাশি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জুমার নামাজের খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরার ওপরও তিনি জোর দেন। মূলত তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এই সংকট মোকাবিলায় সব সরকারি সংস্থাকে কোনো ধরনের ঢিলেঢালা ভাব না রেখে সম্পূর্ণ সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। বিশেষ করে যেসকল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর প্রকোপ বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেসব জনপদে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর জোর দিয়ে বৈঠকে সরকারি আবাসিক কোয়ার্টার এবং হাসপাতাল চত্বর নিয়মিত পরিষ্কার রাখার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সার্বিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে ডেঙ্গু দমনের পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।