আপডেট সময়
০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
চীনা দূতাবাসের অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রতিনিধি দল
রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত চীনা দূতাবাসের বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সম্প্রতি গুলশানের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের ক্রিস্টাল হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক দলের পারস্পরিক মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং গত বছর দুই দেশ সম্পর্কের অর্ধশত বছর পূর্ণ করেছে। বিগত বছরগুলোতে জামায়াত ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান যে সরকার বদল হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার এই আন্তরিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।বক্তব্যে চীনের উন্নয়ন মডেলের প্রশংসা করে জামায়াত নেতা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে চীনের অর্জিত অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরালো করতে তিনি তিনটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর গবেষণা কেন্দ্র কার্যকর করা, তরুণ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বন্ধুত্বের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।এ ছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় বিশ লাখ রোহিঙ্গার দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি চীন সরকারের প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে জামায়াত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িনসহ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত চীনা দূতাবাসের বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সম্প্রতি গুলশানের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের ক্রিস্টাল হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক দলের পারস্পরিক মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং গত বছর দুই দেশ সম্পর্কের অর্ধশত বছর পূর্ণ করেছে। বিগত বছরগুলোতে জামায়াত ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি জানান যে সরকার বদল হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার এই আন্তরিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বক্তব্যে চীনের উন্নয়ন মডেলের প্রশংসা করে জামায়াত নেতা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে চীনের অর্জিত অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরালো করতে তিনি তিনটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর গবেষণা কেন্দ্র কার্যকর করা, তরুণ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বন্ধুত্বের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
এ ছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় বিশ লাখ রোহিঙ্গার দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি চীন সরকারের প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে জামায়াত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িনসহ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।