ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী Logo ঢাকায় ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিল থেকে আটক ৩: পুলিশ Logo রোনালদোকে নিয়ে সৌদি সাংবাদিকের দাবিতে তুমুল বিতর্ক Logo সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চলছে তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি, আটকা ৪৫০ পণ্যবাহী ট্রাক Logo ব্যবসায়ী সংগঠন রাজনীতির বাইরে থাকলে সরকারেরই লাভ Logo উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ Logo লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সংগীত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ব্রিটিশ বাংলাদেশি কিশোর নাভহান Logo খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী Logo এক লাফে ৫৪৮২ টাকা বাড়ল সোনার দাম Logo নিজস্ব এআই অবকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শহর খুলনার ব্যবসায়িক কেন্দ্র বড় বাজারে দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সুপ্রাচীন মিষ্টির দোকান ইন্দ্রমোহন সুইটস। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রি করে আসছে এবং স্থানীয় মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বিশেষ নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের অনেক পরিবর্তন ঘটলেও এই দোকানের সুনাম এবং মিষ্টির গুণগত মান আজও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মিষ্টির দোকানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯০ সালে এবং তখন থেকেই একই ধরনের গোপন রেসিপি বা প্রণালিতে মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এই দোকানে মূলত পাঁচ ধরনের বিশেষ মিষ্টি তৈরি করা হয় যা আজও ক্রেতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই সুস্বাদু ধারা বজায় রাখার কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি খুলনার সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

দোকানের কারিগর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মিষ্টির স্বাদ ও মান বজায় রাখতে তারা অত্যন্ত সতর্ক থাকেন এবং কোনো কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করেন না। খাঁটি উপকরণ এবং শত বছরের পুরোনো কারিগরী দক্ষতার মেলবন্ধনেই এই মিষ্টিগুলোর স্বাদ অন্য যেকোনো সাধারণ মিষ্টির চেয়ে আলাদা হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা বহু মানুষ আজও এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ নিতে বড় বাজারের এই পুরোনো দোকানে ভিড় করেন।

খুলনার প্রাচীন ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ইন্দ্রমোহন সুইটস কেবল একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও পুরোনো দিনের সেই ঐতিহ্য এবং স্বাদ টিকিয়ে রাখার কারণে প্রতিষ্ঠানটি আজও মানুষের মনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। অদূর ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ধরে রেখে তারা ক্রেতাদের সেবা দিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগস :

কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী

খুলনার ইন্দ্রমোহন সুইটসের ১৩৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, বিশেষত্ব কী

আপডেট সময় ০১:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শহর খুলনার ব্যবসায়িক কেন্দ্র বড় বাজারে দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে সুপ্রাচীন মিষ্টির দোকান ইন্দ্রমোহন সুইটস। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রি করে আসছে এবং স্থানীয় মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বিশেষ নাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শহরের অনেক পরিবর্তন ঘটলেও এই দোকানের সুনাম এবং মিষ্টির গুণগত মান আজও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঐতিহাসিক এই মিষ্টির দোকানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯০ সালে এবং তখন থেকেই একই ধরনের গোপন রেসিপি বা প্রণালিতে মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এই দোকানে মূলত পাঁচ ধরনের বিশেষ মিষ্টি তৈরি করা হয় যা আজও ক্রেতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই সুস্বাদু ধারা বজায় রাখার কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি খুলনার সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

দোকানের কারিগর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মিষ্টির স্বাদ ও মান বজায় রাখতে তারা অত্যন্ত সতর্ক থাকেন এবং কোনো কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করেন না। খাঁটি উপকরণ এবং শত বছরের পুরোনো কারিগরী দক্ষতার মেলবন্ধনেই এই মিষ্টিগুলোর স্বাদ অন্য যেকোনো সাধারণ মিষ্টির চেয়ে আলাদা হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা বহু মানুষ আজও এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ নিতে বড় বাজারের এই পুরোনো দোকানে ভিড় করেন।

খুলনার প্রাচীন ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা ইন্দ্রমোহন সুইটস কেবল একটি মিষ্টির দোকান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক স্মারক। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও পুরোনো দিনের সেই ঐতিহ্য এবং স্বাদ টিকিয়ে রাখার কারণে প্রতিষ্ঠানটি আজও মানুষের মনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। অদূর ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য ধরে রেখে তারা ক্রেতাদের সেবা দিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।