ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo পদত্যাগের বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন সামান্তা শারমিন Logo মানিক মিয়াতে জেমসের ফ্রি কনসার্ট, থাকছে আরও ছয় ব্যান্ড Logo জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা Logo এএসপি হলেন পুলিশের ৬৭ পরিদর্শক Logo ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম, রাতেই কার্যকর Logo ম্যাচের আগে কার সঙ্গে দেখা করলেন মেসি Logo খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সড়কে মানুষের ঢল, স্টেডিয়াম এলাকায় কড়া নিরাপত্তা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্ষমতা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে এটিকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে খুলনা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় পর্যন্ত একটি বিশাল শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বৃহৎ শিল্পায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধা প্রস্তুত না থাকলে বড় ধরনের শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগের উন্নত ব্যবস্থার মতো মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে দেশের উত্তরা ও দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাও এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রূপকল্প বাস্তবায়ন করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো গেলে এবং দেশের ভেতরে শক্তিশালী শিল্প করিডোর তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতেও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

পদত্যাগের বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন সামান্তা শারমিন

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্ষমতা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে এটিকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে খুলনা থেকে শুরু করে একেবারে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় পর্যন্ত একটি বিশাল শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বৃহৎ শিল্পায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধা প্রস্তুত না থাকলে বড় ধরনের শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগের উন্নত ব্যবস্থার মতো মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, এই শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠলে দেশের উত্তরা ও দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাও এই মহাপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রূপকল্প বাস্তবায়ন করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানো গেলে এবং দেশের ভেতরে শক্তিশালী শিল্প করিডোর তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতেও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।