ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo আদা চাষে প্রণোদনা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী Logo তেল–গ্যাস খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান Logo মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা সোমবার, প্রস্তাব দেবেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি Logo বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও এগিয়ে প্রথম আলো: আরিফ দৌলা Logo ৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ Logo আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে Logo মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সব এজেন্সির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার Logo সাজেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির Logo জলবায়ু সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: নিয়মিত আমদানির ব্যয় পরিশোধের অংশ হিসেবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা আকুর বকেয়া পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রক্রিয়ার আওতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দুই মাসের বকেয়া বাবদ প্রায় ১৬৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ কমে নির্ধারিত সীমার নিচে নেমে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত ও পূর্বনির্ধারিত এই লেনদেনের কারণেই রিজার্ভে এই সাময়িক পতন ঘটে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর এই বিশাল পরিমাণ বিল পরিশোধের ঠিক আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই লেনদেনের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট বা গ্রস রিজার্ভের পরিমাণও কিছুটা হ্রাস পেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আকুর এই দেনা প্রতি দুই মাস অন্তর নিয়মিতভাবে পরিশোধ করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানি আয় বেশ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তাই আকুর বিল দেওয়ার ফলে রিজার্ভে কিছুটা টান পড়লেও এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই নিয়মিত লেনদেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উল্লেখ্য, এশীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক আমদানি-রপ্তানি লেনদেন নিষ্পত্তির একটি আঞ্চলিক ব্যবস্থা হলো এই আকু। বর্তমানে বাংলাদেশসহ মোট আটটি দেশ এই ব্যবস্থার সদস্য হিসেবে একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য পরিচালনা করছে। এর আগে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কা এই জোট থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির অন্যান্য সূচকগুলো ইতিবাচক থাকায় রিজার্ভের এই পতনকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :

আদা চাষে প্রণোদনা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে

আপডেট সময় ১০:১৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: নিয়মিত আমদানির ব্যয় পরিশোধের অংশ হিসেবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা আকুর বকেয়া পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রক্রিয়ার আওতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দুই মাসের বকেয়া বাবদ প্রায় ১৬৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ কমে নির্ধারিত সীমার নিচে নেমে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত ও পূর্বনির্ধারিত এই লেনদেনের কারণেই রিজার্ভে এই সাময়িক পতন ঘটে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর এই বিশাল পরিমাণ বিল পরিশোধের ঠিক আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই লেনদেনের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট বা গ্রস রিজার্ভের পরিমাণও কিছুটা হ্রাস পেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আকুর এই দেনা প্রতি দুই মাস অন্তর নিয়মিতভাবে পরিশোধ করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানি আয় বেশ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তাই আকুর বিল দেওয়ার ফলে রিজার্ভে কিছুটা টান পড়লেও এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই নিয়মিত লেনদেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উল্লেখ্য, এশীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক আমদানি-রপ্তানি লেনদেন নিষ্পত্তির একটি আঞ্চলিক ব্যবস্থা হলো এই আকু। বর্তমানে বাংলাদেশসহ মোট আটটি দেশ এই ব্যবস্থার সদস্য হিসেবে একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য পরিচালনা করছে। এর আগে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কা এই জোট থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির অন্যান্য সূচকগুলো ইতিবাচক থাকায় রিজার্ভের এই পতনকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।