আপডেট সময়
০১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
ব্যবসায়ী সংগঠন রাজনীতির বাইরে থাকলে সরকারেরই লাভ
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নানা আশাবাদের পাশাপাশি গভীর শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তা সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তাঁর মতে, দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ে দেশের বাজারে উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়লেও বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো মৌলিক উপাদানের ঘাটতি এবং উচ্চ সুদের মতো পুরোনো সমস্যাগুলো এখনো ব্যবসা পরিচালনার প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে কোটি টাকা খরচ করে কেনা জেনারেটর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার মতো ঘটনা উৎপাদনশীল খাতের জন্য চরম হতাশাজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন।বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আইনিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার ঘাটতিকে চিহ্নিত করেছেন এই ব্যবসায়ী। সাম্প্রতিক সময়ে জনজীবনে বিশৃঙ্খলা, মব জাস্টিস এবং দলমত-নির্বিশেষে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ার সংস্কৃতি দেশের সামগ্রিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী একসময় বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ব্যবসার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং জনগণের আস্থা ফেরাতে সবার আগে দৃষ্টান্তমূলকভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলোতে দৃশ্যমান সংস্কার আনা প্রয়োজন।দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আমূল সংস্কার এবং এগুলোকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এই শিল্প উদ্যোক্তা। গতানুগতিক ধারায় কেবল ডিগ্রিধারী বেকার তৈরি না করে বাজার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। অন্যথায় আগামী দুই দশকের মধ্যে দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতির সুবিধা শেষ হয়ে গেলে তা অর্থনীতির জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ঘাটতি দূর করে সুস্থ জনশক্তি তৈরি করা না গেলে কোনো খাতেই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।নতুন বিনিয়োগ স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিদ্যমান ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতি দূর করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয় আনুকূল্যের ওপর নির্ভর করে টেকসই ব্যবসা গড়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইস্পাহানি গ্রুপের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনীতি থেকে দূরে থেকেও সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। একইভাবে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইসহ অন্যান্য বাণিজ্য সংস্থাকে পুরোপুরি রাজনীতিমুক্ত রেখে সরকারের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা পালনের সুযোগ দিলে তা সরকার এবং অর্থনীতি—উভয়ের জন্যই কল্যাণকর হবে।
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে নানা আশাবাদের পাশাপাশি গভীর শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তা সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তাঁর মতে, দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়ে দেশের বাজারে উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়লেও বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো মৌলিক উপাদানের ঘাটতি এবং উচ্চ সুদের মতো পুরোনো সমস্যাগুলো এখনো ব্যবসা পরিচালনার প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে কোটি টাকা খরচ করে কেনা জেনারেটর অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার মতো ঘটনা উৎপাদনশীল খাতের জন্য চরম হতাশাজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে আইনিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার ঘাটতিকে চিহ্নিত করেছেন এই ব্যবসায়ী। সাম্প্রতিক সময়ে জনজীবনে বিশৃঙ্খলা, মব জাস্টিস এবং দলমত-নির্বিশেষে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ার সংস্কৃতি দেশের সামগ্রিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী একসময় বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ব্যবসার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং জনগণের আস্থা ফেরাতে সবার আগে দৃষ্টান্তমূলকভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলোতে দৃশ্যমান সংস্কার আনা প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আমূল সংস্কার এবং এগুলোকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এই শিল্প উদ্যোক্তা। গতানুগতিক ধারায় কেবল ডিগ্রিধারী বেকার তৈরি না করে বাজার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। অন্যথায় আগামী দুই দশকের মধ্যে দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতির সুবিধা শেষ হয়ে গেলে তা অর্থনীতির জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ঘাটতি দূর করে সুস্থ জনশক্তি তৈরি করা না গেলে কোনো খাতেই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।
নতুন বিনিয়োগ স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিদ্যমান ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতি দূর করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয় আনুকূল্যের ওপর নির্ভর করে টেকসই ব্যবসা গড়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইস্পাহানি গ্রুপের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনীতি থেকে দূরে থেকেও সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। একইভাবে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইসহ অন্যান্য বাণিজ্য সংস্থাকে পুরোপুরি রাজনীতিমুক্ত রেখে সরকারের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা পালনের সুযোগ দিলে তা সরকার এবং অর্থনীতি—উভয়ের জন্যই কল্যাণকর হবে।