ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কংগ্রেসে হারের মাধ্যমে কি ট্রাম্পের শেষের শুরু হয়ে গেল Logo মধ্যবিত্ত ভাঙছে, রাষ্ট্র কি ভালো আছে Logo টিভিতে আজ কোথায় কোন খেলা দেখবেন Logo হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ডাকে আসা ব্যালট হাতে গোনা হচ্ছে কিছু জায়গায় Logo প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন আজ Logo পলিটিক্যাল ব্রেকআপ ও বর্তমান বাংলাদেশ Logo সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু Logo সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি Logo পত্রিকা: ‘আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে’ Logo ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে, এনটিআরসিএ জানাল সময়
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতীয় সঞ্চয় স্কিম বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে নানা ধরনের প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা কাজ করে থাকে। অনেকেই মনে করেন মুনাফা প্রদানের সময় ব্যাংক বা নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে উৎসে কর কেটে রাখে, সেটিই বুঝি চূড়ান্ত বা শেষ কর। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় এবং এর পেছনের আইনি প্রক্রিয়া বেশ সুনির্দিষ্ট।

বাস্তব নিয়ম হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে যে পরিমাণ অর্থ উৎসে কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, তা কোনোভাবেই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হয় না। বিনিয়োগকারীকে বছর শেষে তার বার্ষিক মোট আয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত করের হিসাব দাখিল করতে হয়। বার্ষিক হিসাব করার সময় উৎসে কাটা এই অর্থ সমন্বয় করার পূর্ণ সুযোগ করদাতার জন্য সংরক্ষিত থাকে।

কোনো করদাতার ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় যে বছরজুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। বার্ষিক কর মূল্যায়নের পর অতিরিক্ত পরিশোধিত সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট কর বিভাগ থেকে ফেরত পাওয়ার আইনগত বিধান রয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত করের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে থাকতে হয় না।

পক্ষান্তরে, করদাতার বার্ষিক আয়ের হিসাব অনুযায়ী যদি দেখা যায় যে উৎসে কাটা অর্থের পরিমাণ প্রকৃত পাওনা করের চেয়ে কম হয়েছে, তবে বাকি অর্থ কর বিভাগকে পরিশোধ করতে হয়। তাই সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই উৎসে করের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি ও লাভজনক।

ট্যাগস :

কংগ্রেসে হারের মাধ্যমে কি ট্রাম্পের শেষের শুরু হয়ে গেল

সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতীয় সঞ্চয় স্কিম বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে নানা ধরনের প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা কাজ করে থাকে। অনেকেই মনে করেন মুনাফা প্রদানের সময় ব্যাংক বা নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে উৎসে কর কেটে রাখে, সেটিই বুঝি চূড়ান্ত বা শেষ কর। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী এই ধারণাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয় এবং এর পেছনের আইনি প্রক্রিয়া বেশ সুনির্দিষ্ট।

বাস্তব নিয়ম হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে যে পরিমাণ অর্থ উৎসে কর হিসেবে কেটে রাখা হয়, তা কোনোভাবেই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে গণ্য হয় না। বিনিয়োগকারীকে বছর শেষে তার বার্ষিক মোট আয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত করের হিসাব দাখিল করতে হয়। বার্ষিক হিসাব করার সময় উৎসে কাটা এই অর্থ সমন্বয় করার পূর্ণ সুযোগ করদাতার জন্য সংরক্ষিত থাকে।

কোনো করদাতার ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় যে বছরজুড়ে সঞ্চয়পত্র থেকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে, তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। বার্ষিক কর মূল্যায়নের পর অতিরিক্ত পরিশোধিত সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট কর বিভাগ থেকে ফেরত পাওয়ার আইনগত বিধান রয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত করের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে থাকতে হয় না।

পক্ষান্তরে, করদাতার বার্ষিক আয়ের হিসাব অনুযায়ী যদি দেখা যায় যে উৎসে কাটা অর্থের পরিমাণ প্রকৃত পাওনা করের চেয়ে কম হয়েছে, তবে বাকি অর্থ কর বিভাগকে পরিশোধ করতে হয়। তাই সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই উৎসে করের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি ও লাভজনক।