আপডেট সময়
০৯:১৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী
রাজনীতি ডেস্ক: চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বিএনপি। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেইজিংয়ের সঙ্গে বিদ্যমান অংশীদারত্বকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তারা বদ্ধপরিকর। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশীদার হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার অগ্রগামী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে উল্লেখ করে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং এবং তার নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়। এই উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের আস্থার সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলা হয় যে জিয়াউর রহমানের আমলেই দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে তা আরও গতিশীল রূপ লাভ করে।উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে অতীতে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি দেশের উৎপাদন খাত, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক সুবিধার নীতির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতেও এই বন্ধুত্বপূর্ণ ধারা বজায় রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে শাসনব্যবস্থা নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় কেন্দ্র স্থাপন, তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বন্ধুত্বের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
রাজনীতি ডেস্ক: চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বিএনপি। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেইজিংয়ের সঙ্গে বিদ্যমান অংশীদারত্বকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তারা বদ্ধপরিকর। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশীদার হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার অগ্রগামী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে উল্লেখ করে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং এবং তার নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়। এই উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের আস্থার সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলা হয় যে জিয়াউর রহমানের আমলেই দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে তা আরও গতিশীল রূপ লাভ করে।
উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে অতীতে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয়। বিশেষ করে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি দেশের উৎপাদন খাত, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক সুবিধার নীতির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতেও এই বন্ধুত্বপূর্ণ ধারা বজায় রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে শাসনব্যবস্থা নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় কেন্দ্র স্থাপন, তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বন্ধুত্বের সুফল পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।