ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo সংবিধানকে অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন Logo প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন মনিটরিং নীতিমালা, আসছে পরিমার্জিত কারিকুলাম: প্রতিমন্ত্রী ববি Logo আজকের পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে চাকরির সুযোগ Logo নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা হ্রাসের পেছনে যত কারণ Logo পিএসসি সংস্কার ও সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ছাত্রশিবিরের ১৩ দফা প্রস্তাবনা Logo মানহীন মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo ৯৭৫ থেকে ২,০৬০ টাকা: সাড়ে ৫ বছরে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দ্বিগুণের বেশি Logo দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিটের ওপর আদেশ আগামী বুধবার Logo সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন বিসিআইসির চেয়ারম্যান বাবুল মিঞা Logo সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে: ডিএমপি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

মানহীন মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক: রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের প্রভাবে দেশে কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং সাধারণ রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকার কোনো নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয়নি বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত তীব্র চাপ আসছে। তবে নির্ধারিত শর্ত ও মানদণ্ড পূরণ না করলে কাউকে কলেজ গড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। যথাযথ হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ পরিচালনা এবং রোগী না দেখে চিকিৎসক হয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় ভৌগোলিক অসম বণ্টন ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে ড. মুহিত জানান, অর্ধেকের বেশি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই শুধু ঢাকা বিভাগে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। অথচ অন্য বিভাগগুলোতে চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে স্পষ্ট ভারসাম্যহীনতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক বক্তৃতা বা জনপ্রিয়তার খাতিরে নিজ এলাকায় মেডিকেল কলেজ দাবি করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে সুপরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসা শিক্ষায় বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। এই মান বজায় রাখা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্র মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে যাবে। চিকিৎসকদের পেশাগত সম্মান ও জনগণের আস্থা পুনরুজ্জীবিত করতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

বিদেশফেরত চিকিৎসকদের অর্জিত মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের জন্য আয়োজিত নিবন্ধন পরীক্ষায় মাত্র ত্রিশ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাই সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ও সামর্থ্য ভালোভাবে যাচাই করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধানকে অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন

মানহীন মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের প্রভাবে দেশে কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান এবং সাধারণ রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সরকার কোনো নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয়নি বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত তীব্র চাপ আসছে। তবে নির্ধারিত শর্ত ও মানদণ্ড পূরণ না করলে কাউকে কলেজ গড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। যথাযথ হাসপাতাল ছাড়া মেডিকেল কলেজ পরিচালনা এবং রোগী না দেখে চিকিৎসক হয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় ভৌগোলিক অসম বণ্টন ও বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে ড. মুহিত জানান, অর্ধেকের বেশি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজই শুধু ঢাকা বিভাগে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। অথচ অন্য বিভাগগুলোতে চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে স্পষ্ট ভারসাম্যহীনতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক বক্তৃতা বা জনপ্রিয়তার খাতিরে নিজ এলাকায় মেডিকেল কলেজ দাবি করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে সুপরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসা শিক্ষায় বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশনের নিয়ম মেনে অ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। এই মান বজায় রাখা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্র মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে যাবে। চিকিৎসকদের পেশাগত সম্মান ও জনগণের আস্থা পুনরুজ্জীবিত করতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

বিদেশফেরত চিকিৎসকদের অর্জিত মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সম্প্রতি বিদেশ থেকে পাস করে আসা চিকিৎসকদের জন্য আয়োজিত নিবন্ধন পরীক্ষায় মাত্র ত্রিশ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাই সন্তানদের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ও সামর্থ্য ভালোভাবে যাচাই করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।