আপডেট সময়
০২:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনে নিরাপত্তা দিতে ইরান ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ কিংবা অন্য কোনো দেশের জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে সরাসরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কোনো সুযোগ ইরানের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রাহিমি জাহানাবাদী। সম্প্রতি ঢাকার ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কূটনৈতিক অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি ও বাণিজ্যিক জাহাজে যেসব হামলার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে তাদের দেশের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে যেকোনো তথাকথিত সমঝোতার অর্থ হলো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ, যা তেহরান কোনোভাবেই মেনে নেবে না। চলমান উত্তেজনার তৃতীয় পর্বে পারমাণবিক হামলার সুনির্দিষ্ট ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, এমন কোনো আগ্রাসন চালানো হলে তার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জলিল রাহিমি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পালাবদল ঘটলেও তেহরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের কঠোর নীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসবে না। মার্কিন কংগ্রেসের নির্বাচনে দলগুলোর ফলাফল যাই হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান সম্পর্কিত মার্কিন কৌশল অপরিবর্তিত থাকবে বলেই তিনি মনে করেন। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি না থাকলে তেহরান কখনই সেসব এলাকায় কোনো ধরনের আক্রমণ পরিচালনা করত না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বৈশ্বিক এই ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক। মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং নিজেদের সামরিক কৌশলগত অবস্থান ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি তিনি আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ কিংবা অন্য কোনো দেশের জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে সরাসরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কোনো সুযোগ ইরানের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রাহিমি জাহানাবাদী। সম্প্রতি ঢাকার ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কূটনৈতিক অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি ও বাণিজ্যিক জাহাজে যেসব হামলার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে তাদের দেশের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে যেকোনো তথাকথিত সমঝোতার অর্থ হলো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ, যা তেহরান কোনোভাবেই মেনে নেবে না। চলমান উত্তেজনার তৃতীয় পর্বে পারমাণবিক হামলার সুনির্দিষ্ট ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, এমন কোনো আগ্রাসন চালানো হলে তার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জলিল রাহিমি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পালাবদল ঘটলেও তেহরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের কঠোর নীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসবে না। মার্কিন কংগ্রেসের নির্বাচনে দলগুলোর ফলাফল যাই হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান সম্পর্কিত মার্কিন কৌশল অপরিবর্তিত থাকবে বলেই তিনি মনে করেন। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি না থাকলে তেহরান কখনই সেসব এলাকায় কোনো ধরনের আক্রমণ পরিচালনা করত না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বৈশ্বিক এই ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক। মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং নিজেদের সামরিক কৌশলগত অবস্থান ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি তিনি আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন।