ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo স্বাধীনতার কথা বলে দিল্লির কৃতদাসত্ব করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার: রুহুল কবির রিজভী Logo ৫৮ বছর পর রিয়ালের কীর্তি ছুঁয়ে বার্সেলোনার ‘নয়ে নয়’ Logo এবার জমবে কি পার্থ–নীহার রসায়ন Logo বিএনপি নিজেদের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার Logo প্রার্থনা আর পুষ্পাঞ্জলিতে মহাসপ্তমী Logo ‘লালনের জীবনদর্শন ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে’ Logo লাগামছাড়া দ্রব্যমূল্যের ক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স Logo অস্ত্র নিয়ে কাউকে ভয় দেখাইনি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছি: ইশরাক Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন Logo ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমেছে বাংলাদেশের, বেড়েছে চীনের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

অস্ত্র নিয়ে কাউকে ভয় দেখাইনি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছি: ইশরাক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার সময় হাতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার মুখে পড়েন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান যে, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং তিনি কাউকে ভয় দেখাতে বা গুলি করতে সেটি ব্যবহার করেননি। এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও মাদকের বিস্তার রোধেই মূলত তারা এই সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, তার সংসদীয় এলাকার গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের অবৈধ কারবার চলছে। এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে একাধিকবার তার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে বারবার অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানান এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন, কিন্তু পুলিশ সময়মতো কোনো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেনি।

পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তিনি অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বার বৈঠক করেছেন। প্রতিবারই পুলিশের পক্ষ থেকে জনবল সংকট ও যানবাহনের ঘাটতির মতো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে পুলিশ বাহিনী এখনো পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক সময় দূর থেকে গুলি ছোঁড়ে, যার ফলে আত্মরক্ষার তাগিদেই তার হাতে অস্ত্র রাখতে হয়েছিল। তবে তিনি কাউকে ভয় দেখাননি কিংবা কোনো গুলিও চালাননি উল্লেখ করে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, মাদক নির্মূলে জনগণের সম্পৃক্ততায় এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

স্বাধীনতার কথা বলে দিল্লির কৃতদাসত্ব করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার: রুহুল কবির রিজভী

অস্ত্র নিয়ে কাউকে ভয় দেখাইনি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছি: ইশরাক

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় একটি মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার সময় হাতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার মুখে পড়েন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান যে, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং তিনি কাউকে ভয় দেখাতে বা গুলি করতে সেটি ব্যবহার করেননি। এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও মাদকের বিস্তার রোধেই মূলত তারা এই সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, তার সংসদীয় এলাকার গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের অবৈধ কারবার চলছে। এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে একাধিকবার তার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে বারবার অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানান এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন, কিন্তু পুলিশ সময়মতো কোনো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেনি।

পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তিনি অন্তত ৩০ থেকে ৪০ বার বৈঠক করেছেন। প্রতিবারই পুলিশের পক্ষ থেকে জনবল সংকট ও যানবাহনের ঘাটতির মতো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে পুলিশ বাহিনী এখনো পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক সময় দূর থেকে গুলি ছোঁড়ে, যার ফলে আত্মরক্ষার তাগিদেই তার হাতে অস্ত্র রাখতে হয়েছিল। তবে তিনি কাউকে ভয় দেখাননি কিংবা কোনো গুলিও চালাননি উল্লেখ করে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, মাদক নির্মূলে জনগণের সম্পৃক্ততায় এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।