ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড Logo লিথিয়াম–আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে যাচ্ছে ওয়ালটন ও প্রাণ–আরএফএল গ্রুপ Logo মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধিতে নীতির টানাপোড়েন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ইউনূসকে ফ্যাসিস্টদের হেনস্তা Logo বোয়ালমারীতে সর্ববৃহৎ ও জমকালো দূর্গাপূজা উৎসব আয়োজন চলছে বড়নগর সাহা বাড়িতে Logo ২,৪৮০ পদে নার্স ও মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু কবে Logo চীনে সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে Logo খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নর শাসন, কত দিন চলবে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ? Logo প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরও আগের নিয়োগ কমিটি বহাল রেখে পরীক্ষা Logo কলম্বাসের ৫০০ বছর আগে আমেরিকা পৌঁছেছিল যে ভাইকিংরা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নর শাসন, কত দিন চলবে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা শুরু হয়েছে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরাসরি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বা গভর্নর শাসন জারির মধ্য দিয়ে। সম্প্রতি এই ভূখণ্ডে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের চরম অবনতি ঘটলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর ফলে প্রাদেশিক সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে এবং সমস্ত নির্বাহী ক্ষমতা সরাসরি গভর্নরের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী এই বিশেষ ব্যবস্থা কত দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং এর কার্যকারিতা ঠিক কত দিন বজায় থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের সংকটময় পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ বিধানের মাধ্যমে প্রাদেশিক শাসনভার নিজেদের হাতে তুলে নেয়, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘস্থায়ী হলে কেন্দ্রের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব আরও বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।

প্রদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে স্থানীয় প্রাদেশিক নেতৃত্বের তীব্র মতবিরোধ চলে আসছিল। বিশেষ করে নিরাপত্তা ইস্যু এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নিয়ে দুই পক্ষের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছানোর পরই গভর্নর শাসন জারির এই কঠোর সিদ্ধান্ত এল। সংশ্লিষ্ট মহল ধারণা করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে কেন্দ্রীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ আরও দানা বাঁধতে পারে।

সামগ্রিক এই পরিস্থিতি খাইবার পাখতুনখাওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় প্রশাসন এই সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রদেশে পুনরায় নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে কী ধরনের কৌশল গ্রহণ করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নর শাসন, কত দিন চলবে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ?

আপডেট সময় ০৮:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা শুরু হয়েছে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরাসরি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বা গভর্নর শাসন জারির মধ্য দিয়ে। সম্প্রতি এই ভূখণ্ডে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের চরম অবনতি ঘটলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর ফলে প্রাদেশিক সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম আপাতত স্থগিত হয়ে গেছে এবং সমস্ত নির্বাহী ক্ষমতা সরাসরি গভর্নরের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী এই বিশেষ ব্যবস্থা কত দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং এর কার্যকারিতা ঠিক কত দিন বজায় থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের সংকটময় পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ বিধানের মাধ্যমে প্রাদেশিক শাসনভার নিজেদের হাতে তুলে নেয়, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘস্থায়ী হলে কেন্দ্রের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব আরও বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।

প্রদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে স্থানীয় প্রাদেশিক নেতৃত্বের তীব্র মতবিরোধ চলে আসছিল। বিশেষ করে নিরাপত্তা ইস্যু এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নিয়ে দুই পক্ষের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছানোর পরই গভর্নর শাসন জারির এই কঠোর সিদ্ধান্ত এল। সংশ্লিষ্ট মহল ধারণা করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে কেন্দ্রীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ আরও দানা বাঁধতে পারে।

সামগ্রিক এই পরিস্থিতি খাইবার পাখতুনখাওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, কেন্দ্রীয় প্রশাসন এই সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রদেশে পুনরায় নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে কী ধরনের কৌশল গ্রহণ করে।