আপডেট সময়
০৯:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
২০ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য, মধ্য রাতে ডাকা হলো অ্যাম্বুলেন্স
জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দীর্ঘ সময় ধরে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দপ্তরে প্রবেশের পরদিন শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমসহ তার সঙ্গীরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তারা ভবন থেকে বের হতে পারেননি এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে আটকে থাকেন। এই ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম গণমাধ্যমকে জানান যে তারা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ ও নানা সুবিধার বাইরে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ভবনের ভেতরে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এবং সেখানে বিশ্রামের কোনো উপযুক্ত পরিবেশ নেই। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এই অবস্থায় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় মধ্যরাতে উপাচার্য ভবন চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসা হয় এবং চিকিৎসকদের দল সেখানে প্রবেশ করে।শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে উপাচার্য ভবন ছাড়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও তা না মানায় তারা বাধ্য হয়ে ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এর আগে দীর্ঘ ২১ দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান কার্যালয় বন্ধ থাকার পর উপাচার্য বহিরাগত ও কিছু সমর্থক নিয়ে দপ্তরে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাছাড়া, রাউজানের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বাসে হামলার ঘটনা ঘটায় আন্দোলনকারীরা আরও বেশি চমে ওঠেন। বাসে ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রতিবাদে তারা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।এদিকে চলমান এই সংকট নিরসনে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ চালুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে বুয়েট শিক্ষার্থী এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সহ বিভিন্ন সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে। একই সঙ্গে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশ অন্য একজন অধ্যাপককে উপাচার্য হিসেবে বহাল রাখার দাবি জানিয়ে আসছে। অপরদিকে রাজধানী ঢাকায় সাবেক চুয়েট শিক্ষার্থীরা বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে দীর্ঘ সময় ধরে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দপ্তরে প্রবেশের পরদিন শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমসহ তার সঙ্গীরা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তারা ভবন থেকে বের হতে পারেননি এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে আটকে থাকেন। এই ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম গণমাধ্যমকে জানান যে তারা দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ ও নানা সুবিধার বাইরে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ভবনের ভেতরে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এবং সেখানে বিশ্রামের কোনো উপযুক্ত পরিবেশ নেই। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এই অবস্থায় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় মধ্যরাতে উপাচার্য ভবন চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসা হয় এবং চিকিৎসকদের দল সেখানে প্রবেশ করে।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে উপাচার্য ভবন ছাড়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও তা না মানায় তারা বাধ্য হয়ে ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এর আগে দীর্ঘ ২১ দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান কার্যালয় বন্ধ থাকার পর উপাচার্য বহিরাগত ও কিছু সমর্থক নিয়ে দপ্তরে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাছাড়া, রাউজানের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বাসে হামলার ঘটনা ঘটায় আন্দোলনকারীরা আরও বেশি চমে ওঠেন। বাসে ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রতিবাদে তারা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এদিকে চলমান এই সংকট নিরসনে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ চালুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে বুয়েট শিক্ষার্থী এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সহ বিভিন্ন সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে। একই সঙ্গে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশ অন্য একজন অধ্যাপককে উপাচার্য হিসেবে বহাল রাখার দাবি জানিয়ে আসছে। অপরদিকে রাজধানী ঢাকায় সাবেক চুয়েট শিক্ষার্থীরা বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।