আপডেট সময়
০৫:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
সুনামগঞ্জে এমপির ডিও লেটারে সার ডিলার নিয়োগ
জাতীয় ডেস্ক: সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের বা বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের আধাসরকারি পত্র বা ডিও লেটারকে প্রাধান্য দিয়ে ডিলার নির্বাচনের ফলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও প্রকৃত সার ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী ডিলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ব্যবসার অভিজ্ঞতা, নিজস্ব গুদাম, আর্থিক সচ্ছলতা এবং বৈধ লাইসেন্সকে প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচনা করার কথা থাকলেও এবার এসব নিয়মের তোয়াক্কা করা হয়নি।বঞ্চিত ও বাদপড়া প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তারা সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র এবং শর্ত পূরণ করে যথাসময়ে আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো ধরনের যৌক্তিক কারণ বা ব্যাখ্যা ছাড়াই তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অথচ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, যাদের কোনো ধরনের সারের ব্যবসার পূর্বঅভিজ্ঞতা বা দোকান নেই, তারাও কেবল সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের জোরে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে গেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বহু বছর ধরে সততার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঠিকাদার বা ডিলার বানানোর ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের প্রভাব বেশি ছিল। তবে যেখানে একাধিক সুপারিশপত্র জমা পড়েছে, সেখানে প্রশাসনিকভাবে যাচাই-বাছাই করেই তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় করেই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।সার ডিলার নিয়োগে এমন স্বজনপ্রীতির অভিযোগে জেলার সাধারণ কৃষক ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, অভিজ্ঞতা নেই এমন ব্যক্তিদের হাতে ডিলারশিপ চলে গেলে ভবিষ্যতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে এবং সার কালোবাজারিতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাদপড়া আবেদনকারীদের কারণ দর্শানো এবং ডিও লেটারের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের তালিকা পুনর্বিবেচনা করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মতিউর রহমান খান স্পষ্ট করে জানান যে, প্রতিটি উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে মূলত তিনটি করে নাম জেলা কমিটির কাছে জমা দিয়েছিল। পরবর্তীতে জেলা কমিটি সেই তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জেলার মোট ৫০৭টি আবেদনের বিপরীতে তাহিরপুর উপজেলা বাদে বাকি ১১টি উপজেলায় মোট ৮১ জন নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কমিটির উপদেষ্টাদের সঙ্গে সার্বিক সমন্বয় করেই এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
জাতীয় ডেস্ক: সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের বা বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের আধাসরকারি পত্র বা ডিও লেটারকে প্রাধান্য দিয়ে ডিলার নির্বাচনের ফলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও প্রকৃত সার ব্যবসায়ীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী ডিলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর ব্যবসার অভিজ্ঞতা, নিজস্ব গুদাম, আর্থিক সচ্ছলতা এবং বৈধ লাইসেন্সকে প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচনা করার কথা থাকলেও এবার এসব নিয়মের তোয়াক্কা করা হয়নি।
বঞ্চিত ও বাদপড়া প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তারা সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র এবং শর্ত পূরণ করে যথাসময়ে আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো ধরনের যৌক্তিক কারণ বা ব্যাখ্যা ছাড়াই তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অথচ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, যাদের কোনো ধরনের সারের ব্যবসার পূর্বঅভিজ্ঞতা বা দোকান নেই, তারাও কেবল সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের জোরে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়ে গেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, বহু বছর ধরে সততার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঠিকাদার বা ডিলার বানানোর ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের প্রভাব বেশি ছিল। তবে যেখানে একাধিক সুপারিশপত্র জমা পড়েছে, সেখানে প্রশাসনিকভাবে যাচাই-বাছাই করেই তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় করেই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
সার ডিলার নিয়োগে এমন স্বজনপ্রীতির অভিযোগে জেলার সাধারণ কৃষক ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, অভিজ্ঞতা নেই এমন ব্যক্তিদের হাতে ডিলারশিপ চলে গেলে ভবিষ্যতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে এবং সার কালোবাজারিতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাদপড়া আবেদনকারীদের কারণ দর্শানো এবং ডিও লেটারের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের তালিকা পুনর্বিবেচনা করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মতিউর রহমান খান স্পষ্ট করে জানান যে, প্রতিটি উপজেলা কমিটি যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে মূলত তিনটি করে নাম জেলা কমিটির কাছে জমা দিয়েছিল। পরবর্তীতে জেলা কমিটি সেই তালিকা চূড়ান্ত করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জেলার মোট ৫০৭টি আবেদনের বিপরীতে তাহিরপুর উপজেলা বাদে বাকি ১১টি উপজেলায় মোট ৮১ জন নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কমিটির উপদেষ্টাদের সঙ্গে সার্বিক সমন্বয় করেই এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।