ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জনতা ব্যাংকের ইউএই কার্যক্রম বাঁচাতে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার Logo ২০ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য, মধ্য রাতে ডাকা হলো অ্যাম্বুলেন্স Logo চুয়েটে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা, কার্যালয়ের সামনে রাতভর পাহারা Logo বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর সৌদিতে কর্মসংস্থানে নতুন ধাক্কা Logo পত্রিকা: ‘হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ’ Logo ১২ বছরে গ্রামীণ ঋণে কৃষির অংশ কমেছে ৯ শতাংশ Logo পাটে শুল্কের খড়্গ বসিয়ে ঢাকার কাছে ফলে ছাড় চায় ভারত Logo দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যতিব্যস্ত বিএনপি Logo শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়? Logo অর্থনীতি পাল্টে দিচ্ছে বিশ্বরাজনীতি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি শিশুকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। বাদামী চুল এবং ফর্সা শারীরিক গঠনের এই শিশুটিকে প্রথম দেখায় অনেকেই বিদেশি বলে মনে করছেন। সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজেদের সন্তান বলে দাবি করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে শিশুটির বর্তমান পরিবার জানিয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

শিশুটি কার প্রকৃত সন্তান— তা নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাঁধছে, তখন জনমনে একটি বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সেটি হলো, সাধারণ কেউ চাইলেই কি বাংলাদেশে যেকোনো শিশুর ডিএনএ টেস্ট করাতে পারেন? দেশের প্রচলিত আইন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী, চাইলেই হুট করে কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও গোপনীয়তার নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ কিংবা পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের অংশ ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত সন্দেহের বশে কেউ ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারেন না। শিশু অধিকার ও পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। ফলে কোনো দম্পতি চাইলেও চটজলদি কোনো শিশুর ওপর ডিএনএ টেস্টের আইনি বৈধতা পাওয়া সহজ বিষয় নয়।

বর্তমানে আলোচিত এই ঘটনার জেরে শিশুটির পরিচয় নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একাংশ প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য এই পরীক্ষার দাবি তুললেও আইনি জটিলতার কারণে তা এত সহজে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত এই পারিবারিক ও সামাজিক বিতর্কের অবসান কীভাবে হবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনতা ব্যাংকের ইউএই কার্যক্রম বাঁচাতে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

আপডেট সময় ০৮:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি শিশুকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। বাদামী চুল এবং ফর্সা শারীরিক গঠনের এই শিশুটিকে প্রথম দেখায় অনেকেই বিদেশি বলে মনে করছেন। সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজেদের সন্তান বলে দাবি করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে শিশুটির বর্তমান পরিবার জানিয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।

শিশুটি কার প্রকৃত সন্তান— তা নিয়ে যখন বিতর্ক দানা বাঁধছে, তখন জনমনে একটি বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সেটি হলো, সাধারণ কেউ চাইলেই কি বাংলাদেশে যেকোনো শিশুর ডিএনএ টেস্ট করাতে পারেন? দেশের প্রচলিত আইন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী, চাইলেই হুট করে কারও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও গোপনীয়তার নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ কিংবা পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের অংশ ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত সন্দেহের বশে কেউ ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারেন না। শিশু অধিকার ও পারিবারিক গোপনীয়তার বিষয়টি এখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। ফলে কোনো দম্পতি চাইলেও চটজলদি কোনো শিশুর ওপর ডিএনএ টেস্টের আইনি বৈধতা পাওয়া সহজ বিষয় নয়।

বর্তমানে আলোচিত এই ঘটনার জেরে শিশুটির পরিচয় নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একাংশ প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য এই পরীক্ষার দাবি তুললেও আইনি জটিলতার কারণে তা এত সহজে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত এই পারিবারিক ও সামাজিক বিতর্কের অবসান কীভাবে হবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।