ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘যে মসজিদের পাশে বড় হয়েছি, সেখান থেকেই উচ্ছেদ হতে হয়েছে’ Logo ক্রিকেট ও ব্যক্তিগত জীবনের পার্থক্য Logo সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ Logo জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক Logo বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর Logo এক গ্রামে এতগুলো বিলাসবহুল বাড়ি Logo বিনোদন পার্কে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ Logo সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা Logo বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার পথে হেঁটে চলা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার পথে হেঁটে চলা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ভ্রমণ ডেস্ক: ছুটির দিনে প্রথাগত পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখার বাইরে একটু ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে একটি পরিকল্পনা মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল। কেবল নির্দিষ্ট কিছু দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ নয়, বরং সিলেটের পাহাড়ি পথ, প্রাকৃতিক ঝরনা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অবশেষে দীর্ঘদিনের সেই সুপ্ত পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছি এবং প্রকৃতির একদম কাছাকাছি যাওয়ার এক দারুণ সুযোগ মিলেছে।

আমাদের এই বিশেষ ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল সিলেটের বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার দিকে পায়ে হেঁটে এগিয়ে যাওয়া বা বর্ডার হাইকিং। দুই পাশের সবুজ পাহাড় আর বুনো প্রকৃতির বুক চিরে হেঁটে যাওয়ার অনুভূতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা এবং রোমাঞ্চকর। এই পথচলার সময় পাহাড়ি জনপদের বৈচিত্র্যময় জীবনধারা এবং চারপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সরাসরি দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, যা সাধারণ কোনো যানবাহনে যাতায়াত করলে একেবারেই মিস হয়ে যেত।

পথিমধ্যে সীমান্ত এলাকার স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার নানা দিক খুব কাছ থেকে অবলোকন করার সুযোগ পাওয়া যায়, যা এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তাদের সহজ-সরল জীবনযাপন এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় মিতালি আমাদের মুগ্ধ করেছে। এই ধরনের পদব্রজে ভ্রমণ কেবল শারীরিক ক্লান্তি দূর করে না, বরং মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

সব মিলিয়ে বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়া পর্যন্ত এই হাইকিংয়ের অভিজ্ঞতা ভ্রমণ তালিকায় এক স্মরণীয় অধ হয়ে থাকবে। প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের আন্তরিকতা এই যাত্রাকে সার্থক করে তুলেছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযাত্রিক ও প্রকৃতিমুখী ভ্রমণের পরিকল্পনা করার অনুপ্রেরণা জোগাবে এই সফল ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘যে মসজিদের পাশে বড় হয়েছি, সেখান থেকেই উচ্ছেদ হতে হয়েছে’

বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার পথে হেঁটে চলা

আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ভ্রমণ ডেস্ক: ছুটির দিনে প্রথাগত পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখার বাইরে একটু ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে একটি পরিকল্পনা মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল। কেবল নির্দিষ্ট কিছু দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ নয়, বরং সিলেটের পাহাড়ি পথ, প্রাকৃতিক ঝরনা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অবশেষে দীর্ঘদিনের সেই সুপ্ত পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছি এবং প্রকৃতির একদম কাছাকাছি যাওয়ার এক দারুণ সুযোগ মিলেছে।

আমাদের এই বিশেষ ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল সিলেটের বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার দিকে পায়ে হেঁটে এগিয়ে যাওয়া বা বর্ডার হাইকিং। দুই পাশের সবুজ পাহাড় আর বুনো প্রকৃতির বুক চিরে হেঁটে যাওয়ার অনুভূতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা এবং রোমাঞ্চকর। এই পথচলার সময় পাহাড়ি জনপদের বৈচিত্র্যময় জীবনধারা এবং চারপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সরাসরি দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, যা সাধারণ কোনো যানবাহনে যাতায়াত করলে একেবারেই মিস হয়ে যেত।

পথিমধ্যে সীমান্ত এলাকার স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার নানা দিক খুব কাছ থেকে অবলোকন করার সুযোগ পাওয়া যায়, যা এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তাদের সহজ-সরল জীবনযাপন এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় মিতালি আমাদের মুগ্ধ করেছে। এই ধরনের পদব্রজে ভ্রমণ কেবল শারীরিক ক্লান্তি দূর করে না, বরং মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

সব মিলিয়ে বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়া পর্যন্ত এই হাইকিংয়ের অভিজ্ঞতা ভ্রমণ তালিকায় এক স্মরণীয় অধ হয়ে থাকবে। প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের আন্তরিকতা এই যাত্রাকে সার্থক করে তুলেছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযাত্রিক ও প্রকৃতিমুখী ভ্রমণের পরিকল্পনা করার অনুপ্রেরণা জোগাবে এই সফল ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।