ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা সোমবার, প্রস্তাব দেবেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি Logo বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও এগিয়ে প্রথম আলো: আরিফ দৌলা Logo ৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ Logo আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে Logo মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সব এজেন্সির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার Logo সাজেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির Logo জলবায়ু সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ Logo ম্যাচের আগে অধিনায়ককে হারাল বাংলাদেশ Logo দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সার ডিলারের নিয়োগ বাতিল: কৃষিমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও বাথরুমে প্রায়ই একধরনের দুর্গন্ধ থেকে যায়, যার উৎস সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাথরুমে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সেখানে খুব দ্রুত জীবাণু ও ছত্রাক জন্ম নিতে পারে। এ ছাড়া জমে থাকা ময়লা, চুল কিংবা ব্যবহৃত কাপড়ের কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় দুর্গন্ধের মূল কারণগুলো এমন জায়গায় লুকিয়ে থাকে, যেখানে সচরাচর আমাদের নজর পড়ে না।

বাথরুমে দুর্গন্ধ তৈরির একটি অন্যতম সাধারণ কারণ হলো বেসিন বা ড্রেনের পাইপে ময়লা জমে যাওয়া। পানিনিষ্কাশনের এই পথগুলোতে চুল ও সাবানের অবশিষ্টাংশ জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া গোসলের পর ভেজা তোয়ালে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখলে এবং বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে সেখানে স্যাঁতসেঁতে বাসি গন্ধের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, টুথব্রাশ রাখার পাত্র কিংবা ইলেকট্রিক টুথব্রাশের নিচের অংশেও নিয়মিত ময়লা ও পানির অবশিষ্টাংশ জমে পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

কমোডের আশপাশে ব্যবহৃত কাপড়ের ম্যাট বা পা মোছার কাপড়ও দুর্গন্ধের বড় কারণ হতে পারে, কারণ এতে নিয়মিত পানি ও ময়লা পড়ে। একইভাবে গোসলের পর ব্যবহৃত বাথরোব বা গাউন নিয়মিত না ধুলে তাতে ঘাম ও প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া গোসলের পর্দার নিচের অংশে আর্দ্রতার কারণে ছত্রাক জমে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ তৈরি করে। এসব সমস্যার সমাধানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি যথাযথ শুকানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

এই ধরনের দুর্গন্ধ এড়াতে বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং এগজোস্ট ফ্যান ব্যবহার করা আবশ্যক। ভেজা কাপড়, তোয়ালে বা ম্যাট দীর্ঘ সময় বাথরুমে ফেলে না রেখে সময়মতো ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে সব দুর্গন্ধ কেবল ময়লার কারণে হয় না; ড্রেন থেকে পচা ডিমের মতো তীব্র গন্ধ এলে বা পানিনিষ্কাশনে স্থায়ী সমস্যা থাকলে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থায় ত্রুটি থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত অভিজ্ঞ কোনো প্লাম্বারের সহায়তা নেওয়া উচিত।

ট্যাগস :

মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা সোমবার, প্রস্তাব দেবেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি

বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস

আপডেট সময় ০৮:৩১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও বাথরুমে প্রায়ই একধরনের দুর্গন্ধ থেকে যায়, যার উৎস সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাথরুমে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সেখানে খুব দ্রুত জীবাণু ও ছত্রাক জন্ম নিতে পারে। এ ছাড়া জমে থাকা ময়লা, চুল কিংবা ব্যবহৃত কাপড়ের কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় দুর্গন্ধের মূল কারণগুলো এমন জায়গায় লুকিয়ে থাকে, যেখানে সচরাচর আমাদের নজর পড়ে না।

বাথরুমে দুর্গন্ধ তৈরির একটি অন্যতম সাধারণ কারণ হলো বেসিন বা ড্রেনের পাইপে ময়লা জমে যাওয়া। পানিনিষ্কাশনের এই পথগুলোতে চুল ও সাবানের অবশিষ্টাংশ জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া গোসলের পর ভেজা তোয়ালে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখলে এবং বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে সেখানে স্যাঁতসেঁতে বাসি গন্ধের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, টুথব্রাশ রাখার পাত্র কিংবা ইলেকট্রিক টুথব্রাশের নিচের অংশেও নিয়মিত ময়লা ও পানির অবশিষ্টাংশ জমে পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

কমোডের আশপাশে ব্যবহৃত কাপড়ের ম্যাট বা পা মোছার কাপড়ও দুর্গন্ধের বড় কারণ হতে পারে, কারণ এতে নিয়মিত পানি ও ময়লা পড়ে। একইভাবে গোসলের পর ব্যবহৃত বাথরোব বা গাউন নিয়মিত না ধুলে তাতে ঘাম ও প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া গোসলের পর্দার নিচের অংশে আর্দ্রতার কারণে ছত্রাক জমে স্যাঁতসেঁতে গন্ধ তৈরি করে। এসব সমস্যার সমাধানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি যথাযথ শুকানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

এই ধরনের দুর্গন্ধ এড়াতে বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং এগজোস্ট ফ্যান ব্যবহার করা আবশ্যক। ভেজা কাপড়, তোয়ালে বা ম্যাট দীর্ঘ সময় বাথরুমে ফেলে না রেখে সময়মতো ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে সব দুর্গন্ধ কেবল ময়লার কারণে হয় না; ড্রেন থেকে পচা ডিমের মতো তীব্র গন্ধ এলে বা পানিনিষ্কাশনে স্থায়ী সমস্যা থাকলে পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থায় ত্রুটি থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত অভিজ্ঞ কোনো প্লাম্বারের সহায়তা নেওয়া উচিত।