আপডেট সময়
০৪:০০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
বর্তমান সরকারের মেয়াদে আগারগাঁওয়ে স্থানান্তার হবে সচিবালয়: গণপূর্তমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বর্তমানে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের (সুমন) সম্প্রতি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞের বিষয়টি খুব দ্রুতই অনুমোদনের জন্য পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা থেকে সবুজ সংকেত মিললেই বর্তমান সরকারের কার্যকালেই মূল কাজ শুরু করার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।বর্তমান সচিবালয় ভবনের তীব্র স্থানসংকট এবং কাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত পুরোনো ভবনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা পোহাতে হচ্ছে। জায়গার অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল চত্বরের বাইরে আলাদা স্থানে পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এছাড়া পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন নানামুখী বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়, যা প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং সার্বিক নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করেও পুরোনো সচিবালয় ভবনগুলোর একটি স্থায়ী ও নিরাপদ বিকল্প খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে অতীত সরকারের আমলেও একটি প্রাথমিক মাস্টারপ্ল্যান বা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল যার ভিত্তিতে কিছু নীতিগত কাজ সম্পন্ন হয়। বর্তমান প্রশাসন সেই অসমাপ্ত কাজগুলোকে নতুন গতি দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি নতুন প্রশাসনিক বলয় গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার কথা পুনর্ব্যক্ত করে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জানান যে, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন নতুন ভবনে সচিবালয় স্থানান্তরের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আগারগাঁওয়ে এই নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে রাজধানীর ট্রাফিক জ্যাম কমার পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজের দক্ষতা ও সমন্বয় আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।
জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বর্তমানে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের (সুমন) সম্প্রতি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞের বিষয়টি খুব দ্রুতই অনুমোদনের জন্য পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা থেকে সবুজ সংকেত মিললেই বর্তমান সরকারের কার্যকালেই মূল কাজ শুরু করার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
বর্তমান সচিবালয় ভবনের তীব্র স্থানসংকট এবং কাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত পুরোনো ভবনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা পোহাতে হচ্ছে। জায়গার অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল চত্বরের বাইরে আলাদা স্থানে পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এছাড়া পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন নানামুখী বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়, যা প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখার পথে একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি এবং সার্বিক নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনা করেও পুরোনো সচিবালয় ভবনগুলোর একটি স্থায়ী ও নিরাপদ বিকল্প খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে অতীত সরকারের আমলেও একটি প্রাথমিক মাস্টারপ্ল্যান বা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল যার ভিত্তিতে কিছু নীতিগত কাজ সম্পন্ন হয়। বর্তমান প্রশাসন সেই অসমাপ্ত কাজগুলোকে নতুন গতি দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি নতুন প্রশাসনিক বলয় গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার কথা পুনর্ব্যক্ত করে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জানান যে, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন নতুন ভবনে সচিবালয় স্থানান্তরের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আগারগাঁওয়ে এই নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে রাজধানীর ট্রাফিক জ্যাম কমার পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজের দক্ষতা ও সমন্বয় আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।