ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখে এসএসসি-এইচএসসিতে জিপিএ-৫ Logo পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে Logo ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট Logo উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন Logo ‘ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়’—জামায়াত নেতার এমন বক্তব্য অসত্য: প্রসিকিউটর Logo ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ড জয় করে শীর্ষে আর্সেনাল Logo ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ Logo কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ Logo যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ Logo তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরে গত কিছুদিন ধরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও পণ্য খালাস প্রক্রিয়া মন্থর হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বন্দর সচল রাখতে এবং জাহাজ ভেড়ানোর হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বন্দর ব্যবহারের সাথে জড়িত সংশ্নিষ্টদের মতে, কেবল বন্দর কর্তৃপক্ষের একাকার প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি উত্তরণ সম্ভব নয়। পণ্য খালাস ও শুল্কায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি জটিল ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল, যার সাথে কাস্টম হাউস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বিভিন্ন শিপিং লাইন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই পক্ষগুলোর কাজের মধ্যে সমন্বয়হীনতা বা দীর্ঘসূত্রতা ঘটলে পুরো কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দাপ্তরিক জটিলতা এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অনেক শিপিং কোম্পানি এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ হারাচ্ছে। সঠিক সময়ে পণ্য ছাড়করণ না হওয়ায় জাহাজের অলস সময় বৃদ্ধি পায়, যা জাহাজ মালিকদের জন্য আর্থিকভাবে লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা না হলে ভবিষ্যতে বন্দরটির কার্যকারিতা আরও ব্যাহত হতে পারে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সেবার মান উন্নত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখে এসএসসি-এইচএসসিতে জিপিএ-৫

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে

আপডেট সময় ০২:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরে গত কিছুদিন ধরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও পণ্য খালাস প্রক্রিয়া মন্থর হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বন্দর সচল রাখতে এবং জাহাজ ভেড়ানোর হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বন্দর ব্যবহারের সাথে জড়িত সংশ্নিষ্টদের মতে, কেবল বন্দর কর্তৃপক্ষের একাকার প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি উত্তরণ সম্ভব নয়। পণ্য খালাস ও শুল্কায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি জটিল ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল, যার সাথে কাস্টম হাউস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বিভিন্ন শিপিং লাইন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই পক্ষগুলোর কাজের মধ্যে সমন্বয়হীনতা বা দীর্ঘসূত্রতা ঘটলে পুরো কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দাপ্তরিক জটিলতা এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অনেক শিপিং কোম্পানি এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ হারাচ্ছে। সঠিক সময়ে পণ্য ছাড়করণ না হওয়ায় জাহাজের অলস সময় বৃদ্ধি পায়, যা জাহাজ মালিকদের জন্য আর্থিকভাবে লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা না হলে ভবিষ্যতে বন্দরটির কার্যকারিতা আরও ব্যাহত হতে পারে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সেবার মান উন্নত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।