আপডেট সময়
০১:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
নিজ দপ্তরে ১২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের নতুন উপাচার্য, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন
শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিজ দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহাল করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। সম্প্রতি পূর্বঘোষণা ছাড়াই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিলে উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজন ভেতরে আটকা পড়েন।উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশের ঘটনার পর পরই শিক্ষার্থীরা তাঁকে ভবন ছাড়ার জন্য দুপুর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বের না হওয়ায় দুপুরের দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং ভবনটির বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা এক সংবাদ সম্মেলনও করেন। দিনভর চলা এই উত্তেজনার পর গভীর রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তীব্র স্লোগান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন।এদিকে চুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি এবং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ বৈঠকে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি পালনের কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা নতুন উপাচার্যকে প্রশাসনিক কাজে কোনো ধরনের সহযোগিতা না করার ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে থেকেই ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি চলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।রাউজান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা পরিস্থিতি শান্ত করতে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি অবরুদ্ধ উপাচার্যসহ ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। তবে শিক্ষার্থীরা ভেতরে খাবার ও পানি পৌঁছানোর অনুমতি দিলেও বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ঘোষণা অনুযায়ী, উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা অবরোধ ও আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিজ দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহাল করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। সম্প্রতি পূর্বঘোষণা ছাড়াই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিলে উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজন ভেতরে আটকা পড়েন।
উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশের ঘটনার পর পরই শিক্ষার্থীরা তাঁকে ভবন ছাড়ার জন্য দুপুর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বের না হওয়ায় দুপুরের দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং ভবনটির বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকা অবস্থায় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা এক সংবাদ সম্মেলনও করেন। দিনভর চলা এই উত্তেজনার পর গভীর রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তীব্র স্লোগান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন।
এদিকে চুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি এবং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ বৈঠকে নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি পালনের কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা নতুন উপাচার্যকে প্রশাসনিক কাজে কোনো ধরনের সহযোগিতা না করার ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে থেকেই ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি চলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
রাউজান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা পরিস্থিতি শান্ত করতে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি অবরুদ্ধ উপাচার্যসহ ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। তবে শিক্ষার্থীরা ভেতরে খাবার ও পানি পৌঁছানোর অনুমতি দিলেও বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট ঘোষণা অনুযায়ী, উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা অবরোধ ও আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।