আপডেট সময়
০৫:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
চরফ্যাশনে সার ডিলারশিপ বিতর্কে স্ট্যাম্পে লিখে দায়িত্ব হস্তান্তর যুবদল নেতার
রাজনীতি ডেস্ক: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সার ডিলারশিপের একটি প্রাথমিক তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার একুশটি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার জন্য মোট বাইশজন সার ডিলারের নাম প্রকাশ করা হয়। এই ডিলারদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সুপারিশ যুক্ত থাকায় দলের অভ্যন্তরেই অসন্তোষের সূত্রপাত ঘটে। বিশেষ করে তালিকায় বিতর্কিত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের স্বজনদের নাম আসার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজী জাহিদুল ইসলাম রাসেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তালিকায় জাহানপুর ইউনিয়নের সার ডিলার 'ফরাজি ট্রেডার্স'-এর সুপারিশকারী হিসেবে তার নাম পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়েন। তবে নিজের বা বেনামে কোনো ডিলারশিপ নেই দাবি করে তিনি শুরুতেই বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করেন।পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যকার অসন্তোষ দূর করতে জাহিদুল ইসলাম রাসেল তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি জাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিজের বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে তিনি ওই ডিলারশিপের যাবতীয় মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে স্থানীয় দলীয় নেতাদের হাতে সমর্পণ করেন।দায়িত্ব হস্তান্তরের পর জাহিদুল ইসলাম রাসেল জানান, অহেতুক বিতর্ক এড়াতে এবং তৃণমূলের কর্মীরা যেন এর সুফল সরাসরি ভোগ করতে পারেন, সে উদ্দেশ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অন্যান্য এলাকার নেতাদের প্রতিও আহ্বান জানান, যাদের সুপারিশে ডিলারশিপ বরাদ্দ হয়েছে, তারাও যেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বর্তমান সংকটের অবসান ঘটান।এদিকে চরফ্যাশনের এই ডিলার নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা থামছে না। তালিকা সংশোধনের দাবিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে কৃষি সচিব বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই সার ডিলারশিপের জটিলতা দ্রুত নিরসন হবে।
রাজনীতি ডেস্ক: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সার ডিলারশিপের একটি প্রাথমিক তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার একুশটি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার জন্য মোট বাইশজন সার ডিলারের নাম প্রকাশ করা হয়। এই ডিলারদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সুপারিশ যুক্ত থাকায় দলের অভ্যন্তরেই অসন্তোষের সূত্রপাত ঘটে। বিশেষ করে তালিকায় বিতর্কিত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের স্বজনদের নাম আসার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজী জাহিদুল ইসলাম রাসেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তালিকায় জাহানপুর ইউনিয়নের সার ডিলার ‘ফরাজি ট্রেডার্স’-এর সুপারিশকারী হিসেবে তার নাম পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়েন। তবে নিজের বা বেনামে কোনো ডিলারশিপ নেই দাবি করে তিনি শুরুতেই বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যকার অসন্তোষ দূর করতে জাহিদুল ইসলাম রাসেল তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি জাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিজের বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে তিনি ওই ডিলারশিপের যাবতীয় মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে স্থানীয় দলীয় নেতাদের হাতে সমর্পণ করেন।
দায়িত্ব হস্তান্তরের পর জাহিদুল ইসলাম রাসেল জানান, অহেতুক বিতর্ক এড়াতে এবং তৃণমূলের কর্মীরা যেন এর সুফল সরাসরি ভোগ করতে পারেন, সে উদ্দেশ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অন্যান্য এলাকার নেতাদের প্রতিও আহ্বান জানান, যাদের সুপারিশে ডিলারশিপ বরাদ্দ হয়েছে, তারাও যেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বর্তমান সংকটের অবসান ঘটান।
এদিকে চরফ্যাশনের এই ডিলার নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা থামছে না। তালিকা সংশোধনের দাবিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে কৃষি সচিব বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই সার ডিলারশিপের জটিলতা দ্রুত নিরসন হবে।