আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পটপরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে নতুন প্রশাসন পরিচালনার জন্য নতুন নেতার ওপর আস্থা রাখা হয়েছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

গত শনিবার সন্ধ্যায় দেশটির রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে গাদি আইজেনকটকে সরকার গঠনের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে নতুন করে সমীকরণ মেলাতে শুরু করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, দেশের চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং একটি স্থিতিশীল প্রশাসন উপহার দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে গাদি আইজেনকটের হাতে সরকার গঠনের দায়িত্ব হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে এই ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী প্রশাসন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবেন। এর ফলে ঐতিহ্যবাহী ধারার বাইরে গিয়ে নতুন কোনো নেতৃত্ব ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন এই নেতার দায়িত্ব গ্রহণ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে। জোট গঠনে তাকে বেশ কিছু জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে। তবে দেশের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক অংশীজনরা এখন এই নতুন নেতৃত্বের দিকেই তাকিয়ে আছেন দেখার জন্য যে তিনি কীভাবে আগামী দিনগুলোতে দেশ পরিচালনা করেন।